📌 ১১ বছর বয়সী ফাতেমার হার্টে বড় আকারের ছিদ্র রয়েছে। অর্থাভাবে উন্নত চিকিৎসা পাওয়ার অভাবে তিনি মানিকছড়ি উপজেলা হাসপাতালে অসহায় অবস্থায় আছেন। বাবা বশির উদ্দিনের কাছে অর্থের অভাবের কারণে মেয়েকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি করার সম্ভাবনা নেই
১১ বছর বয়সী ফাতেমা আক্তারের জীবনবাঁচা চিকিৎসা বন্ধে অর্থের অভাবে দিন কাটছে খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। তার হার্টে বড় আকারের ছিদ্র রয়েছে, যা দ্রুত চিকিৎসা না পেলে জীবন বিপদে পড়তে পারে। কিন্তু বাবা বশির উদ্দিনের কাছে অর্থের অভাবের কারণে মেয়েকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি করার সম্ভাবনা নেই।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১১ বছর বয়সী ফাতেমার হার্টে বড় ছিদ্র** — চিকিৎসকেরা দ্রুত জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছেন, কিন্তু অর্থের অভাবে তা সম্ভব নয়
- 📌 **বাবা বশির উদ্দিনের দুর্দশা** — নিজেও হার্টের রোগী ও স্ট্রোক আক্রান্ত হওয়ায় নিয়মিত কাজ করতে পারেন না, পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই দুর্বল
- 📌 **চিকিৎসা বন্ধে মানিকছড়ি হাসপাতালে অসহায় অবস্থায়** — চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে রেফার করা হলেও অর্থের অভাবের কারণে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা যাচ্ছে না
- 📌 **সহযোগিতা চাইছে বশির উদ্দিন** — মেয়েকে বাঁচাতে তিনি মানুষের কাছে অর্থের সহযোগিতা চাইছেন। তাদের নগদ ও বিকাশ নম্বর: ০১৮৯৩১৩৩৯১৭ ও ০১৭৭৮৬৫২৪৭২
📰 বিস্তারিত
হাসপাতালের বিছানায় দিন কাটাচ্ছেন ফাতেমা আক্তার। তার বাবা বশির উদ্দিনের কথায়, জন্মের পরপরই ২০১৬ সালে তার হার্টে ছিদ্র ধরা পড়ে। কিন্তু অর্থসংকটে ওষুধ নিয়মিত চালাতে পারেননি। অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা জানান, তার হার্টের ছিদ্র বড় হয়ে গেছে। দ্রুত জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসার প্রয়োজন, কিন্তু অর্থের অভাবের কারণে তা সম্ভব নয়।
বশির উদ্দিনের পরিবার খুবই দুর্বল। তিনি নিজেও হার্টের রোগী এবং দুইবার স্ট্রোক আক্রান্ত। পেশায় রংমিস্ত্রি হলেও অসুস্থতার কারণে নিয়মিত কাজ করতে পারেন না। পরিবারে স্ত্রী, ফাতেমা, ছোট ছেলে এবং বড় মেয়ের স্বামীর সংসারে থাকা বড় মেয়ে। অর্থের অভাবের কারণে ফাতেমার ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
মানিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক পার্বন চাকমা বলেন, এখানে হৃদ্রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নেই। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ফাতেমাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে রেফার করা হয়েছে। কিন্তু অর্থসংকটে অভিভাবক তাকে সেখানে নিতে পারছেন না। ডায়াগনস্টিক পরীক্ষায় তার হার্টে বড় ছিদ্র থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। আপাতত চমেক হাসপাতালের চিকিৎসাপত্র অনুযায়ী সকাল ও বিকেলে ইনজেকশন দেওয়া হচ্ছে। তবে দ্রুত জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা জরুরি বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
"আমি নিজেও হার্টের রোগী। দুইবার স্ট্রোক করেছি। দুই মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে ফাতেমা মেঝ। বড় মেয়ে স্বামীর সংসারে। ঘরে স্ত্রী, ফাতেমা আর ছোট ছেলে। রংমিস্ত্রির কাজ করলেও অসুস্থতার কারণে নিয়মিত কাজ করতে পারি না। মেয়েকে বাঁচাতে মানুষের কাছে সহযোগিতা চাইছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মানিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, খাগড়াছড়ি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফাতেমা আক্তার (১১), বশির উদ্দিন (বাবা), পার্বন চাকমা (চিকিৎসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ বছর বয়স
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!