📌 লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার একটি মাদ্রাসার শিক্ষককে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের ছেলে মোহাম্মদও জড়িত থাকার কথা জানা গেছে, কিন্তু তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা মামলা দায়ের করেছেন
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার মান্দারী ইউনিয়নের গন্ধব্যপুর এলাকার একটি মাদ্রাসায় একটি ছাত্রকে দীর্ঘদিন ধরে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করেছে, কিন্তু মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের ছেলে মোহাম্মদকে এখনও আটক করা সম্ভব হয়নি। শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন এবং বিকেল ৪টার দিকে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার একটি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিম গ্রেপ্তার করা হয়েছে
- 📌 অভিযোগে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের ছেলে মোহাম্মদও জড়িত থাকার কথা জানা গেছে, কিন্তু তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি
- 📌 ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা মামলা দায়ের করেছেন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন
- 📌 অভিযোগে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী কোরআনের চার পারা হিফজ সম্পন্ন করেছেন, কিন্তু অভিযোগের কারণে পরিবারটি চাপে পড়েছে
📰 বিস্তারিত
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার মান্দারী ইউনিয়নের গন্ধব্যপুর এলাকার এহ্ইয়াউল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসায় একটি ছাত্রকে দীর্ঘদিন ধরে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে অভিযুক্তদের মধ্যে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের ছেলে মোহাম্মদও জড়িত থাকার কথা জানা গেছে, কিন্তু তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই দিন বিকেল ৪টার দিকে মাদ্রাসা থেকে মাওলানা ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা জানান, তিনি তার ছেলেকে কোরআনের হাফেজ বানানোর আশায় তাকে ওই মাদ্রাসার আবাসিক বিভাগে ভর্তি করেছিলেন। ইতোমধ্যে তার ছেলে কোরআনের চার পারা হিফজ সম্পন্ন করেছে। কিন্তু অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি তার ছেলেকে যৌন নিপীড়ন করেছে বলে ছেলেটি তাকে জানায়। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রব বলেন, যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করার পর অভিযুক্ত শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
"আমার ছেলেকে কোরআনের হাফেজ বানানোর আশায় তাকে ওই মাদ্রাসায় ভর্তি করেছিলাম। কিন্তু তারা তাকে যৌন নিপীড়ন করেছে। আমি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চন্দ্রগঞ্জ থানা, লক্ষ্মীপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাওলানা ইব্রাহিম (শিক্ষক), মোহাম্মদ (প্রধান শিক্ষকের ছেলে), ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ অক্টোবর (মামলা দায়েরের তারিখ), ৪ টা (গ্রেপ্তারের সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!