📌 ১২-১৩ বছর বয়সে পাচার হয়ে যৌনপল্লিতে পড়া ফরিদা পারভীন নিজের দুঃখের গল্পকে শক্তিতে রূপান্তর করে। তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘অবহেলিত মহিলা ও শিশু উন্নয়ন সংস্থা’ এবং দৌলতদিয়া যৌনপল্লির নারীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত ৩০ জনেরও বেশি মানুষের সাথে মিলে তিনি ৫০-এরও বেশি নারীর জীবন পরিবর্তন করেছেন
১২-১৩ বছর বয়সে স্বপ্নের স্কুলজীবন থেকে বঞ্চিত হয়ে যৌনপল্লির অন্ধকারে পড়া ফরিদা পারভীন আজ মানবাধিকারের লড়াইয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে পাচার হয়ে যাওয়ার পর তিনি নিজের জীবনের কষ্টকে শক্তিতে রূপান্তর করে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন, যা এখন অবহেলিত নারীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১২-১৩ বছর বয়সে পাচার হয়ে** দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে পড়া ফরিদা পারভীন নিজের জীবনের দুঃখকে শক্তিতে রূপান্তর করেন
- 📌 **২০০১ সালে ‘পায়াক্ট বাংলাদেশ’-এ কাজ শুরু করে** তিনি ১০ জনের সাথে ‘অবহেলিত মহিলা ও শিশু উন্নয়ন সংস্থা’ প্রতিষ্ঠা করেন
- 📌 **বর্তমানে সংগঠনের সভানেত্রী** হিসেবে তিনি দৌলতদিয়া যৌনপল্লির **৫০-এরও বেশি নারী**কে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনে
- 📌 **৩০ জনেরও বেশি কর্মী** সংগঠনের সাথে যুক্ত, যারা স্বাস্থ্য ও অধিকার বিষয়ে কাজ করছেন
- 📌 **৪টি দেশে ১০ বার** আন্তর্জাতিক সভা-সেমিনারে অংশ নিয়ে তিনি নারীদের অধিকার নিয়ে আলোচনা করেছেন
📰 বিস্তারিত
ফরিদা পারভীনের জীবনের এক মর্মান্তিক পর্ব ছিল ১২-১৩ বছর বয়সে পাচার হয়ে যৌনপল্লিতে পড়া। রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া যৌনপল্লির অন্ধকারে তিনি শৈশব হারিয়ে ফেলেন। কিন্তু তিনি হার মানেননি। ২০০১ সালে ‘পায়াক্ট বাংলাদেশ’ নামের একটি সংগঠনে পিয়ার এডুকেটর হিসেবে কাজ শুরু করার পর তিনি উপলব্ধি করেন, তাঁর মতো আরো অনেক নারী প্রতিদিন নিঃশব্দে যন্ত্রণা পোহাচ্ছেন। সেই অনুপ্রেরণায় তিনি অন্য ১০ জনকে সঙ্গে নিয়ে ‘অবহেলিত মহিলা ও শিশু উন্নয়ন সংস্থা’ প্রতিষ্ঠা করেন।
বর্তমানে এই সংগঠনের সভানেত্রী হিসেবে ফরিদা পারভীন দৌলতদিয়া যৌনপল্লির অবহেলিত নারীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করছেন। তাঁর প্রচেষ্টায় এখন পর্যন্ত প্রায় **৫০ জন নারী** স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেছেন। তাদের মধ্যে কেউ স্বাভাবিক সংসার জীবন শুরু করেছেন, কেউ আবার মানবাধিকার ও সেবামূলক কাজে যুক্ত হয়েছে। যেমন, **জেলী আক্তার** ও **দেবী** নামের নারীরা আজ সমাজের মূলধারায় ফিরে আত্মবিশ্বাসী জীবন যাপন করছেন।
ফরিদা পারভীন শুধু স্থানীয়ভাবে নয়, আন্তর্জাতিক মঞ্চেও নারীদের অধিকার নিয়ে কাজ করছেন। তিনি **৪টি দেশে ১০ বার** বিভিন্ন সভা-সেমিনারে অংশ নিয়ে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অধিকার বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তাঁর সংগঠনের সাথে **৩০ জনেরও বেশি কর্মী** যুক্ত, যারা স্বাস্থ্যসেবা, সচেতনতা বৃদ্ধি ও মানবাধিকার বিষয়ে কাজ করছেন।
"আমি নিজের জীবনের দুঃখকে শক্তিতে রূপান্তর করেছি। এখন আমি অন্য নারীদেরও সেই শক্তি দিতে চাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দৌলতদিয়া, রাজবাড়ী, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফরিদা পারভীন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২-১৩ বছর বয়স, ১০ জন, ৩০ জন, ৫০ জন, ১০ বার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!