📌 চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে সর্বাত্মক অভিযান শুরু হয়েছে। ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী জানিয়েছেন, মাদক কারবারি থেকে শুরু করে সাধারণ সেবী পর্যন্ত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না
চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে সর্বাত্মক অভিযান শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপপুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীপুরে আয়োজিত এক মাদকবিরোধী সুধী সমাবেশে এ অভিযানের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, মাদক কারবারি, মাদকসেবী, ডিলার, গডফাদার, অর্থদাতা ও বিনিয়োগকারী—কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলায় চলছে মাদকবিরোধী সর্বাত্মক অভিযান
- 📌 মাদক কারবারি থেকে শুরু করে সাধারণ সেবী পর্যন্ত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী
- 📌 দেশে সংঘটিত অপরাধের অর্ধেকের বেশি আসামি কোনো না কোনোভাবে মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত
- 📌 মাদকের কারণে ঘটছে চাচার হাতে ভাতিজি ধর্ষণ ও সন্তানের হাতে বাবা-মা খুনের মতো ভয়াবহ ঘটনা
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে সর্বাত্মক অভিযান শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপপুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীপুর জেলার টাউন হলে আয়োজিত এক মাদকবিরোধী সুধী সমাবেশে এ অভিযানের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, মাদক কারবারি, মাদকসেবী, ডিলার, গডফাদার, অর্থদাতা ও বিনিয়োগকারী—কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী জানান, দেশে সংঘটিত অপরাধের অর্ধেকের বেশি আসামি কোনো না কোনোভাবে মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত। তিনি বলেন, মানুষকে মাদক থেকে দূরে রাখতে পারলে অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে। মাদকের কারণে মানুষ হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এর ভয়াবহতায় চাচার হাতে ভাতিজি ধর্ষণ এবং সন্তানের হাতে বাবা-মা খুনের মতো ঘটনাও ঘটছে।
তিনি আরও বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে দূরে রাখতে হবে। তাদের আগামী দিনের নেতৃত্ব হিসেবে গড়ে তুলতে হবে এবং প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মাদকের কুফল সম্পর্কে অবহিত করতে হবে। পাশাপাশি আইনজীবীদের মাদকসেবীদের পক্ষে দাঁড়ানো থেকে বিরত থাকা, ইমাম ও পুরোহিতদের ধর্মীয় উপাসনালয় থেকে মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরা এবং রাজনৈতিক নেতাদের সামাজিক আন্দোলনে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
"প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। সেই নীতির আলোকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১টি জেলায় সর্বাত্মক মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। প্রত্যেক ইউনিয়ন, থানায় ও ওয়ার্ডে মাদকবিরোধী সমাবেশ করা হবে। লক্ষ্মীপুরকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হবে। মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী (ডিআইজি, চট্টগ্রাম রেঞ্জ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ (জেলা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!