📌 চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের এক ডিসির বিরুদ্ধে কারাবন্দি নেতার পরিবার থেকে ২৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুসারে, যুব মহিলা লীগ নেতা সোনিয়া আজাদ মধ্যস্থতা করে এই লেনদেন সম্পন্ন করেন
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড ফোর্স শাখার ডিসি মো. আমিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে কারাবন্দি নেতার পরিবার থেকে ২৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুসারে, চসিকের সাবেক কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিমের পরিবার দুই দফায় এই টাকা দেয় যাতে তাকে নতুন কোনো মামলায় গ্রেফতার না দেখিয়ে মুক্তি দেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের ডিসি মো. আমিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে কারাবন্দি নেতার পরিবার থেকে ২৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
- 📌 অভিযুক্ত নেতা জহুরুল আলম জসিম, চসিকের ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর
- 📌 জসিমের পরিবার দুই দফায় মোট ২৭ লাখ টাকা দেয় ডিসির কাছে, যাতে তাকে নতুন মামলায় গ্রেফতার না দেখানো হয়
- 📌 মধ্যস্থতা করেন চট্টগ্রাম মহানগর যুব মহিলা লীগের সদস্য ও চসিকের ৭ নম্বর পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড যুব মহিলা লীগের সভাপতি সোনিয়া আজাদ
- 📌 জসিমের স্ত্রী তাসলিমা বেগম, ভাই আকবর হোসেন খোকন এবং সোনিয়া আজাদ উপস্থিত ছিলেন লেনদেনের সময়
- 📌 প্রথম দফায় ১২ লাখ টাকা দেওয়া হয়, পরে দ্বিতীয় দফায় আরও ১৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়
- 📌 সোনিয়া আজাদের স্বামী আবু নাসের চৌধুরী আজাদও গ্রেফতার হয়ে কারাগারে যান
- 📌 ডিসি আমিরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাকে কারামুক্ত করার বিষয়ে তদবির করার প্রশ্নই ওঠে না
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড ফোর্স শাখার ডিসি মো. আমিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে কারাবন্দি নেতার পরিবার থেকে ২৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুসারে, চসিকের সাবেক কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিমের পরিবার দুই দফায় এই টাকা দেয় যাতে তাকে নতুন কোনো মামলায় গ্রেফতার না দেখিয়ে মুক্তি দেওয়া হয়। গত বছরের ৫ মার্চ ঢাকার বসুন্ধরা এলাকা থেকে জসিমকে গ্রেফতারের পর তার বিরুদ্ধে ২৭টি মামলা দেওয়া হয়। সব মামলায় জামিন শেষে গত ৮ জুলাই তার কারামুক্তির কথা ছিল।
জসিমের ভাই আকবর হোসেন খোকন জানান, প্রথমে তার স্ত্রী তাকে কিছু বলেননি। পরে জানতে পারেন যে, এক মহিলা (সোনিয়া আজাদ) তার ভাইকে জেল থেকে বের করার জন্য কাজ করছেন। তিনি আরও বলেন, ‘সীতাকুণ্ড ও কোতোয়ালি থানার দুই মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। মূলত আজাদ ভাই জেলখানায় ভাইয়ার সঙ্গে একই রুমে ছিল। আর ওই মহিলা আজাদ ভাইয়ের স্ত্রী।’
মধ্যস্থতাকারী সোনিয়া আজাদ অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, ‘এখন সবাই জানে, কে কীভাবে বের হচ্ছে। আমার হাজব্যান্ডের বিষয়টা হ্যান্ডেল করেছি বলে আমি জানি, কীভাবে কী করতে হয়। এটা নিয়ম হয়ে গেছে।’ তবে তিনি ডিসিকে টাকা দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘আজাদ দুবার গেট থেকে ফেরত গিয়েছিল। তখন তো আমি কাউকে দোষ দিইনি। তৃতীয় দফায় আজাদকে বের করেছি। তখনো ডিসি আমিরুল টাকা নিয়েছে-এমন একটি কথা উঠেছিল, কিন্তু বিষয়টি সত্য নয়।’
ডিসি আমিরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘সাবেক কাউন্সিলর জসিমকে আমি নিজে ঢাকার বসুন্ধরা থেকে গ্রেফতার করে চালান দিয়েছি। তাকে কারামুক্ত করার বিষয়ে সহযোগিতা বা তদবির করার প্রশ্নই ওঠে না। এ বিষয়ে আমার সঙ্গে কারও কথা হয়নি।’
"এখন সবাই জানে, কে কীভাবে বের হচ্ছে। আমার হাজব্যান্ডের বিষয়টা হ্যান্ডেল করেছি বলে আমি জানি, কীভাবে কী করতে হয়। আমার হাজব্যান্ডের জন্য কোথায় কত টাকা দিয়েছি, কী দিয়েছি, তা বলতে যাইনি। কারণ এটা নিয়ম হয়ে গেছে। আমরা এই নিয়মে পড়ে গেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আমিরুল ইসলাম, জহুরুল আলম জসিম, সোনিয়া আজাদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ (লাখ টাকা), ২৭ (টি মামলা), ৫ (মার্চ), ৮ (জুলাই), ১২ (লাখ টাকা), ১৫ (লাখ টাকা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!