📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চাঁদপুরে দেড় মাসে ২৩ ট্রান্সফরমার চুরি, বিদ্যুৎ কর্মীদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পুলিশের

চাঁদপুরে দেড় মাসে ২৩ ট্রান্সফরমার চুরি, বিদ্যুৎ কর্মীদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পুলিশের

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় দেড় মাসে ২৩টি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের দাবি, অভিজ্ঞ ব্যক্তি ছাড়া এ ধরনের চুরি সম্ভব নয় বলে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীদের সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত মিলেছে। তবে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ তা অস্বীকার করেছে

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় দেড় মাসে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকায় মোট ২৩টি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে স্থানীয় গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। প্রতিটি চুরির ঘটনায় থানায় মামলা হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মতলব উত্তর উপজেলায় গত ১ জুলাই থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত মোট ২৩টি ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটে
  • 📌 জুলাই মাসে চুরি হয়েছে ১৩টি এবং আগস্টে ১২টি ট্রান্সফরমার
  • 📌 প্রতিটি ট্রান্সফরমারের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা
  • 📌 থানায় দায়ের করা ২৩টি মামলার তদন্ত চলমান থাকলেও গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া যায়নি
  • 📌 পুলিশের অভিমত, অভিজ্ঞ ব্যক্তি ছাড়া ট্রান্সফরমার চুরি সম্ভব নয়, তাই বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীদের সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত মিলেছে

📰 বিস্তারিত

উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুলাই থেকে শুরু করে গতকাল পর্যন্ত উপজেলার নাউরী, ফৈলাকান্দি, দুর্গাপুর, দাসের বাজার, দেওয়ানজিকান্দি ও জীবগাঁও এলাকায় রাতে ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটে। অনেক ক্ষেত্রে ট্রান্সফরমারের ভেতরের তামার তার চুরি করে খোলস ফেলে রাখা হয়। এসব ঘটনায় থানায় চুরির অভিযোগে মামলা হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান, দেড় মাসে ঘটা ২৩টি ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনায় থানায় ২৩টি মামলা হয়েছে। তিনি বলেন, "অভিজ্ঞ ও দক্ষ ব্যক্তি ছাড়া বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরি করা সম্ভব নয়। তাই এসব ঘটনায় বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি সামনে আসছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের ধরতে অনুসন্ধান চলছে। শিগগিরই তাঁদের আইনের আওতায় আনা হবে।"

উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. ওয়াহিদুজ্জামান জানান, তাঁর এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদা ২৬ থেকে ২৭ মেগাওয়াট হলেও সরকারি বরাদ্দ থাকে মাত্র ৯ থেকে ১১ মেগাওয়াট। ফলে লোডশেডিংয়ের সময় রাতের অন্ধকারে ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা বেশি ঘটছে। তিনি বলেন, "চুরি বন্ধে একাধিকবার সচেতনতা সভা করা হয়েছে। এরপরও চুরি বন্ধ হয়নি।"

তবে ট্রান্সফরমার চুরির সঙ্গে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সম্পর্কে ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, "এ অভিযোগ সত্য নয়। সর্বশেষ গতকাল রাতে দেওয়ানজিকান্দি এলাকায় দুটি ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ট্রান্সফরমার চুরির পর অর্ধশতাধিক পরিবার বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছে।" তিনি জানান, নতুন ট্রান্সফরমার স্থাপনেরও কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

"অভিজ্ঞ ও দক্ষ লোক ছাড়া বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরি সম্ভব নয়। ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনায় বিদ্যুৎ বিভাগের লোকেরাই জড়িত। সন্দেহভাজন চোরদের ধরতে অনুসন্ধান চলছে। শিগগিরই তাঁদের আইনের আওতায় আনা হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মতলব উত্তর উপজেলা, চাঁদপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ কামরুল হাসান (ওসি, মতলব উত্তর থানা), মো. ওয়াহিদুজ্জামান (ডিজিএম, পল্লী বিদ্যুৎ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩টি ট্রান্সফরমার, ২০ লাখ টাকা (প্রতি ট্রান্সফরমারের আনুমানিক মূল্য), ২৬-২৭ মেগাওয়াট (চাহিদা), ৯-১১ মেগাওয়াট (বরাদ্দ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖