📅 ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাদক নিরাময় কেন্দ্র থেকে পালিয়ে গেলেন ৪০ চিকিৎসাধীন রোগী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাদক নিরাময় কেন্দ্র থেকে পালিয়ে গেলেন ৪০ চিকিৎসাধীন রোগী

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে প্রায় ৪০ জন রোগী পালিয়ে গেছেন। অভিযোগ উঠেছে, কেন্দ্রের পরিচালকদের বিরুদ্ধে নির্যাতনের। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ‘প্রয়াস’ মাদক নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র থেকে গতকাল বুধবার দুপুরে প্রায় ৪০ জন চিকিৎসাধীন রোগী পালিয়ে যান। কেন্দ্রটির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, চিকিৎসাধীন এক রোগীকে পিটিয়ে হত্যার পর এলাকাবাসীর ভাঙচুরের মুখে রোগীরা পালিয়ে যান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ‘প্রয়াস’ মাদক নিরাময় কেন্দ্র থেকে পালিয়ে যান প্রায় ৪০ জন রোগী
  • 📌 অভিযোগ: কেন্দ্রের পরিচালকদের বিরুদ্ধে এক রোগীকে পিটিয়ে হত্যার
  • 📌 পালিয়ে যাওয়া রোগীদের মধ্যে ছিলেন কাতারফেরত যুবক মো. ফোরকান (২৯)
  • 📌 কেন্দ্রটির পরিচালক প্রমোদ বর্মণ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, স্থানীয় লোকজন ভাঙচুর চালালে রোগীরা পালিয়ে যান
  • 📌 সদর থানার উপপরিদর্শক সঞ্জীব কুমার পাল জানান, ফোরকানের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি

📰 বিস্তারিত

গতকাল বুধবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ‘প্রয়াস’ মাদক নির্ভরশীলদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে ঘটনাটি ঘটে। কেন্দ্রটির পরিচালকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. ফোরকান নামে এক রোগীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার পর এলাকাবাসী কেন্দ্রটিতে ভাঙচুর চালালে প্রায় ৪০ জন রোগী পালিয়ে যান।

কাতারফেরত যুবক মো. ফোরকান (২৯) ছিলেন জেলার নবীনগর উপজেলার কুড়িঘর গ্রামের মো. রশিদ মিয়ার ছেলে। তিনি গত ছয় মাস আগে কাতার থেকে ছুটিতে দেশে আসেন। দেশে আসার দুই মাস পর তিনি মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। তাঁকে সুস্থ করে তুলতে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু পাঁচ দিনের মাথায় তাঁকে মৃত অবস্থায় পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

ফোরকানের ভগ্নিপতি ইমন হোসেন অভিযোগ করেন, প্রয়াস কেন্দ্রের কর্মীরা তাঁকে চিকিৎসা না দিয়ে নির্যাতন ও মারধর করে হত্যা করেছে। ইমন হোসেন বলেন, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাঁর শ্যালককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক ইসিজিসহ অন্যান্য পরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরে কেন্দ্রের কর্মীরা তাঁকে অ্যাম্বুলেন্সে রেখে কার্যালয়ে যেতে বলেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে পুলিশ উদ্ধার করে।

মাদক নিরাময় কেন্দ্রের পরিচালক প্রমোদ বর্মণ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ফোরকান অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁরা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘গতকাল স্থানীয় লোকজন আমাদের কেন্দ্রে ভাঙচুর চালায়। সে সময় সেখানে চিকিৎসাধীন ৪০ জন রোগী পালিয়ে যান।’

সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সঞ্জীব কুমার পাল জানান, ফোরকানের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তিনি বলেন, ‘আমরা ঘটনার তদন্ত করছি।’

প্রয়াস কেন্দ্রটি জেলা শহরের কান্দিপাড়ার বাসিন্দা রুবেল হক ও নরসিংদীর প্রমোদ বর্মণসহ ৮-১০ জন পরিচালক মিলে পরিচালনা করেন। কেন্দ্রটির বিরুদ্ধে এর আগেও অভিযোগ উঠেছিল। ২০১৪ সালের ৯ আগস্ট শহরের কান্দিপাড়ার আতিকুল ইসলাম ওরফে শাকিল (৩০) নামের এক যুবককে হত্যার পর তাঁর লাশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের বারান্দায় রেখে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে কেন্দ্রটির বিরুদ্ধে।

"গতকাল স্থানীয় লোকজন আমাদের মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভাঙচুর চালায়। সে সময় সেখানে চিকিৎসাধীন ৪০ জন রোগী পালিয়ে যান। বর্তমানে কেন্দ্রটিতে কোনো রোগী ভর্তি নেই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রমোদ বর্মণ (মাদক নিরাময় কেন্দ্র পরিচালক), মো. ফোরকান (২৯)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ জন রোগী, ২৯ বছর বয়সী ফোরকান, ৯৯৯ জরুরি সেবা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖