📌 বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার কদমবাড়ি গ্রামে এক বাড়ির মেঝেতে দুটি ‘অলৌকিক’ কবর জেগে ওঠার দাবি। স্থানীয় এক পরিবারের দাবি, এ দুটি কবর বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী ও খাজা মঈনুদ্দীন চিশতীরের। ঝাড়ফুঁক ও চিকিৎসার জন্য এলাকায় মানুষের ভিড় বেড়েছে
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার কদমবাড়ি গ্রামে এক বাড়ির মেঝেতে দুটি ‘অলৌকিক’ কবর জেগে ওঠার দাবি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় এক পরিবারের দাবি, এই দুটি কবর বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী ও খাজা মঈনুদ্দীন চিশতীরের। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে ওই বাড়িতে ঝাড়ফুঁক ও চিকিৎসার জন্য মানুষের ভিড় বেড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২ নভেম্বর বিকেলে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার কদমবাড়ি গ্রামে এক বাড়ির মেঝেতে দুটি কবর জেগে ওঠার দাবি করা হয়েছে।
- 📌 স্থানীয় ভ্যানচালক ছালাম বেপারীর ছেলে সজীব বেপারী দাবি করেছেন, ২৬ অক্টোবর সকাল ১০টায় প্রথম কবর জেগে ওঠে, আর রাত ১২টায় দ্বিতীয় কবর জেগে ওঠে।
- 📌 সজীবের দাবি, কবর দুটি বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী ও খাজা মঈনুদ্দীন চিশতীরের।
- 📌 প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ জন মানুষ সজীবের কাছে চিকিৎসা নিতে আসেন, প্রতি সোমবার রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়।
- 📌 কবর দুটির দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ২ হাত ও ৩ হাত। কবর দুটিকে নতুন গামছা ও ফুলের মালা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।
- 📌 স্থানীয়দের মধ্যে ঘটনাটিকে মিথ্যা ও ভুয়া বলে দাবি করা হচ্ছে।
- 📌 আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিরুপম মজুমদার বলেছেন, সরেজমিন পরিদর্শনের পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
📰 বিস্তারিত
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের কদমবাড়ি গ্রামে এক বাড়ির মেঝেতে দুটি কবর জেগে ওঠার দাবি ঘিরে এলাকায় আলোচনা চলছে। স্থানীয় ভ্যানচালক ছালাম বেপারীর ছেলে সজীব বেপারী দাবি করেছেন, গত ২৬ অক্টোবর সকাল ১০টায় প্রথম কবর জেগে ওঠে। একই দিন রাত ১২টায় তার পাশে আরেকটি কবর জেগে ওঠে। সজীবের দাবি, এই দুটি কবর বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী ও খাজা মঈনুদ্দীন চিশতীরের।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কবর দুটি নতুন গামছা ও ফুলের মালা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। কবর দুটির দৈর্ঘ্য যথাক্রমে প্রায় দুই হাত ও তিন হাত। কবর দুটির পাশে বাঁশের খুঁটির সঙ্গে রশি দিয়ে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। সজীবের মা শিউলী বেগম বলেছেন, ‘আমার ছেলে সজীব দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিল। বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিয়েও সুস্থ হয়নি। ছয় মাস আগে স্বপ্নপ্রাপ্ত হয়ে নিজ বাড়িতে ধ্যানে বসে সে সুস্থ হয়। এরপর বিভিন্ন মানুষকে রোগের চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করেছে।’
সজীব বেপারী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমি ধ্যানে বসে লোকজনকে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা দিয়ে আসছি। প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ জন মানুষ আমার কাছে চিকিৎসা নিতে আসেন। প্রতি সোমবার রোগীর সংখ্যা অনেক গুণ বেড়ে যায়।’
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে ওই বাড়িতে ঝাড়ফুঁক ও চিকিৎসার জন্য মানুষের ভিড় বেড়েছে। তবে স্থানীয়দের মধ্যে ঘটনাটিকে মিথ্যা ও ভুয়া বলে দাবি করা হচ্ছে। আগৈলঝাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা ফজলুল হক বলেছেন, ইসলামের দৃষ্টিতে এ ধরনের ঘটনার কোনো নজির বা ভিত্তি নেই। প্রশাসন তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
"আমার ছেলে সজীব দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিল। বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিয়েও সুস্থ হয়নি। ছয় মাস আগে স্বপ্নপ্রাপ্ত হয়ে নিজ বাড়িতে ধ্যানে বসে সে সুস্থ হয়। এরপর বিভিন্ন মানুষকে রোগের চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা, কদমবাড়ি গ্রাম, বাকাল ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সজীব বেপারী, ছালাম বেপারী, শিউলী বেগম, মাওলানা ফজলুল হক, নিরুপম মজুমদার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ অক্টোবর, ১০ টা, ১২ টা, ৪০-৫০ জন, ২ হাত, ৩ হাত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!