📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পদ্মা সেতুর পর টানা পাঁচ বছরে বিআইডব্লিউটিসির ১৩৭ কোটি টাকার লোকসান: মাওয়া-কাঁঠালবাড়ী রুট বন্ধের দায়

পদ্মা সেতুর পর টানা পাঁচ বছরে বিআইডব্লিউটিসির ১৩৭ কোটি টাকার লোকসান: মাওয়া-কাঁঠালবাড়ী রুট বন্ধের দায়

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পদ্মা সেতু চালুর পর টানা পাঁচ বছর ধরে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) লোকসান হচ্ছে। মাওয়া-কাঁঠালবাড়ী ফেরি রুট বন্ধের কারণে সংস্থাটির ১৩৭ কোটি টাকারও বেশি লোকসান হয়েছে। সরকারের কাছ থেকে মাত্র ৫০ লাখ টাকা ভর্তুকি পেলেও ৩৬০ কোটি টাকার পাওনা রয়েছে

পদ্মা সেতু চালুর পর থেকে টানা পাঁচ বছর ধরে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আর্থিক লোকসানে ভুগছে। সংস্থাটির মাওয়া-কাঁঠালবাড়ী ফেরি রুট বন্ধ এবং উপকূলীয় যাত্রীবাহী সার্ভিসের লোকসানই প্রধান কারণ। জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পদ্মা সেতু চালুর পর থেকে টানা পাঁচ বছর ধরে বিআইডব্লিউটিসির লোকসান ১৩৭ কোটি টাকারও বেশি
  • 📌 ২০২২ সালের ২৫ জুন থেকে মাওয়া-কাঁঠালবাড়ী ফেরি রুট বন্ধ, যার কারণে সংস্থাটি বড় আকারের আয়ের উৎস হারিয়েছে
  • 📌 ২০২১-২২ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত পাঁচ বছরে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুট থেকে সর্বাধিক ৮৮১ কোটি টাকা আয় হয়েছিল
  • 📌 সরকারের কাছে ৩৬০ কোটি টাকার পাওনা এবং ৭১৭ কোটি টাকার ঋণ রয়েছে বিআইডব্লিউটিসির
  • 📌 নতুন ফেরি রুট চালু হলেও মাওয়া-কাঁঠালবাড়ী রুটের নাব্যতা সংকটের কারণে পরিচালনা ব্যয় বাড়ছে

📰 বিস্তারিত

পদ্মা সেতু চালুর পর থেকে বিআইডব্লিউটিসি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। সংস্থাটি গত পাঁচ বছরে মাওয়া-কাঁঠালবাড়ী রুট বন্ধের কারণে বড় আকারের আয়ের উৎস হারিয়েছে। ফেরি চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ এই রুটে একসময় বিপুলসংখ্যক যানবাহন পারাপার হতো। তবে ২০২২ সালের ২৫ জুন থেকে এ রুটের ফেরি সার্ভিস বন্ধ রয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরে সংস্থাটির আয় ছিল ৪৩৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা এবং ব্যয় ৪৪০ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। ওই বছর লোকসান হয়েছিল ২ কোটি ২৭ লাখ টাকা। পরবর্তী বছরগুলোতে আয় ক্রমশ কমে গেছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে আয় কমে দাঁড়ায় ৩৬০ কোটি টাকা, লোকসান হয় ৩৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে লোকসান হয় ৪২ কোটি ২০ লাখ টাকা এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা।

গত ৩ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর থেকে ভোলার ইলিশা পর্যন্ত নতুন ফেরি রুট চালু করা হলেও, এ রুটে গত অক্টোবর পর্যন্ত মাত্র ১ হাজার ৩২০টি যানবাহন পারাপার করে ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা আয় হয়েছে।

সরকারের কাছে ৩৬০ কোটি টাকার পাওনা এবং ৭১৭ কোটি টাকার ঋণ থাকার কারণে বিআইডব্লিউটিসির আর্থিক অবস্থা আরও জটিল। সংস্থাটি সরকারের কাছে বার্ষিক ভর্তুকি বাড়ানোর এবং ঋণ-পাওনা সমন্বয় করার দাবি জানিয়েছে।

"ফেরি রুটের নাব্যতা কমে গেলে ফেরিগুলোকে ঘুরে গন্তব্যে যেতে হয়। এতে সময় ও জ্বালানি খরচ বাড়ে। এ সমস্যা সমাধানে ফেরি রুটের ড্রেজিংয়ের দায় বিআইডব্লিউটিসির অধীনে দেওয়ার প্রস্তাব করেছে সংস্থাটি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মাওয়া-কাঁঠালবাড়ী, নারায়ণগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জয়নুল আবদিন ফারুক (সাংসদীয় কমিটির সভাপতি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩৭ কোটি টাকা (লোকসান), ৩৬০ কোটি টাকা (পাওনা), ৭১৭ কোটি টাকা (ঋণ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖