📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগামী ১ জানুয়ারি থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা ও রুয়ান্ডাকে এজিওএ (AGOA) কর্মসূচির অধীনে করমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা থেকে বাদ দেবে। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার জানান, উভয় দেশ এজিওএ-এর যোগ্যতা মাপকাঠি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকা এজিওএ-এর সর্বাধিক লাভবান দেশ ছিল, ২০২৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১.৭ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছিল
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগামী ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা ও রুয়ান্ডাকে এজিওএ (African Growth and Opportunity Act) কর্মসূচির অধীনে করমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা থেকে বাদ দেবে। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ারের ঘোষণা অনুযায়ী, উভয় দেশ এজিওএ-এর যোগ্যতা মাপকাঠি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকা এজিওএ-এর সর্বাধিক লাভবান দেশ ছিল, ২০২৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১.৭ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা ও রুয়ান্ডাকে এজিওএ-এর অধীনে করমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা থেকে বাদ দেবে
- 📌 দক্ষিণ আফ্রিকা ২০২৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এজিওএ-এর অধীনে ১.৭ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছিল
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ আফ্রিকার বাণিজ্য বাধা, ভ্রষ্টাচার ও মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা ও বৈদেশিক নীতির হুমকি সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে
- 📌 রুয়ান্ডার ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য বাধা, আইনের শাসন ও মানবাধিকার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে
- 📌 দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধানমন্ত্রী সিরিল রামাফোসা বলেছেন, দেশটি এজিওএ-এর বাইরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত এবং নতুন বাণিজ্য অংশীদারদের সাথে আলোচনা করছে
📰 বিস্তারিত
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ারের মতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন জানিয়েছে, রুয়ান্ডা ও দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার এজিওএ-এর যোগ্যতা মাপকাঠি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এজিওএ-এর অধীনে যোগ্যতা পাওয়ার জন্য দেশগুলোকে বাজারভিত্তিক অর্থনীতিতে অগ্রগতি, ভালো শাসন ও মার্কিন বাণিজ্য ও বিনিয়োগের বাধা দূরীকরণে সফল হতে হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতি বছর এই যোগ্যতা পর্যালোচনা করে থাকে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ আফ্রিকার বাণিজ্য বাধা, ভ্রষ্টাচার, মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা ও বৈদেশিক নীতির হুমকি সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নজর রয়েছে, বিশেষত দক্ষিণ আফ্রিকার আন্তর্জাতিক আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারের বিরুদ্ধে সাদা জনগোষ্ঠীর প্রতি নিপীড়নের অভিযোগ। দক্ষিণ আফ্রিকার বাণিজ্য, শিল্প ও প্রতিযোগিতার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা এজিওএ-এর পর্যালোচনা থেকে নেতিবাচক ফলাফলের জন্য প্রস্তুত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনার দরজা খোলা রাখবে।
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধানমন্ত্রী সিরিল রামাফোসা বলেছেন, দেশটি এজিওএ-এর বাইরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত এবং নতুন বাণিজ্য অংশীদারদের সাথে আলোচনা করছে। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান রপ্তানির মধ্যে রয়েছে মূল্যবান পাথর ও ধাতু, যানবাহন, লোহা ও স্টিল। এজিওএ-এর অধীনে রপ্তানির মধ্যে রয়েছে যানবাহন ও অংশ, কৃষি পণ্য ও ভিনো। দক্ষিণ আফ্রিকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে মোট রপ্তানির ১০ শতাংশ এবং বিশ্বব্যাপী মোট রপ্তানির ১ শতাংশ এজিওএ-এর অধীনে রপ্তানি করা হয়।
রুয়ান্ডার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান রপ্তানির মধ্যে রয়েছে কফি, চা ও খনিজ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রুয়ান্ডার বাণিজ্য বাধা, আইনের শাসন ও মানবাধিকার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। রুয়ান্ডা আগে ২০১৮ সালে এজিওএ-এর অধীনে করমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।
"প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দেখেছেন যে, রুয়ান্ডা ও দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার এজিওএ-এর যোগ্যতা মাপকাঠি পূরণে অসম্মত কাজ করছে, যা এজিওএ-এর যোগ্যতা মাপকাঠির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (ওয়াশিংটন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধানমন্ত্রী সিরিল রামাফোসা, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১.৭ বিলিয়ন ডলার (দক্ষিণ আফ্রিকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি), ১০ শতাংশ (দক্ষিণ আফ্রিকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মোট রপ্তানির অংশ), ১ শতাংশ (দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বব্যাপী মোট রপ্তানির অংশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!