📌 বগুড়ার নন্দীগ্রামে সাত বছরের শিশু আমেনা খাতুনকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে এক যুবককে স্থানীয়রা গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছেন। ঘটনার পরই শিশুটির মৃত্যু হয়
বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের পাঠান গ্রামে স্থানীয় এক যুবকের বিরুদ্ধে সাত বছরের শিশুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার বিকেল তিনটার দিকে ঘটনাস্থলে ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত আবু হোসাইনকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঘটনাস্থল: বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের পাঠান গ্রাম
- 📌 নিহত শিশু: আমেনা খাতুন (৭ বছর), আনোয়ার হোসেনের মেয়ে
- 📌 অভিযুক্ত ব্যক্তি: আবু হোসাইন (৩৫), আব্দুর রশিদের ছেলে
- 📌 অভিযোগ: ধারালো দা ও লাঠি দিয়ে শিশুটিকে কুপিয়ে হত্যা
- 📌 ঘটনার সময়: শুক্রবার বিকেল তিনটা
📰 বিস্তারিত
বিকেল তিনটার দিকে বাড়ির বাইরে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলছিল আমেনা খাতুন। এ সময় আবু হোসাইন হঠাৎ ধারালো দা দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে তাকে লাঠি দিয়ে আরও আঘাত করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন আবু হোসাইনকে ধরে গণপিটুনি দেন। খবর পেয়ে নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়। অভিযুক্ত আবু হোসাইনের পরিবার দাবি করেছে যে তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম।
তারিকুল ইসলাম বলেন, আটক ব্যক্তির মানসিক অবস্থা যাচাই করা হবে এবং তদন্ত শেষে ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে। তিনি জানান, শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
"আটক ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন কি না, তা যাচাই করা হবে। তদন্ত শেষে ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে।" — তারিকুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, নন্দীগ্রাম থানা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের পাঠান গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু হোসাইন (৩৫), আমেনা খাতুন (৭)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ বছর, ৩৫ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!