📌 প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সড়ক ও বাঁধ ভাঙন রোধে পরিবেশবান্ধব বিন্না ঘাস ব্যবহারের প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের নেতৃত্বে গঠিত টেকনিক্যাল কমিটি বিষয়টি আরও বিশদভাবে পর্যালোচনা করবে
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সোমবার (১৭ আগস্ট) অনুষ্ঠিত বৈঠকে সড়ক ও বাঁধ ভাঙন প্রতিরোধে পরিবেশবান্ধব বিন্না ঘাস ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিন্না ঘাস ব্যবহারের প্রস্তাব উত্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষক ড. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম
- 📌 বৈঠকে বিন্না ঘাসের উপকারিতা স্বীকার করে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের নেতৃত্বে একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত
- 📌 পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে বিন্না ঘাস ব্যবহারের জন্য একটি গাইডলাইন তৈরির সিদ্ধান্ত
- 📌 বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা
📰 বিস্তারিত
সড়ক ও বাঁধ ভাঙন রোধে পরিবেশবান্ধব বিন্না ঘাস ব্যবহারের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষক ড. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম বিন্না ঘাসের উপকারিতা তুলে ধরেন। তিনি জানান, এই ঘাসের লম্বা মূল মাটিকে শক্তভাবে ধরে রাখে, যা বাঁধ ভাঙন প্রতিরোধে সহায়ক।
বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের নেতৃত্বে একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই কমিটি বিন্না ঘাস ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে আরও বিশদভাবে পর্যালোচনা করবে। এছাড়া, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে বিন্না ঘাস ব্যবহারের জন্য একটি গাইডলাইন তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
"বিন্না ঘাস প্রচণ্ড ঠান্ডা ও তীব্র গরমসহ প্রতিকূল পরিবেশেও টিকে থাকতে পারে। পানিতে ডুবে থাকলেও এটি পচে না এবং লবণাক্ত পানিতেও টিকে থাকতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সচিবালয়, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ড. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ (আগস্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!