📌 বরিশাল সদর উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারির জনবল নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ইউএনও কার্যালয় অবরোধ করেন। নিয়োগে দলীয় কর্মী ও স্বজনদের প্রাধান্য দেওয়ার অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকাটি
বরিশাল সদর উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারির জনবল নিয়োগে অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা রোববার ইউএনও কার্যালয় অবরোধ করেন। বেলা ১১টা থেকে শুরু হওয়া কর্মসূচিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. ফরিদা সুলতানাকে অবরুদ্ধ রাখা হয়। পরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বরিশাল সদর উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারির জনবল নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ইউএনও কার্যালয় অবরোধ করেন
- 📌 নিয়োগে দলীয় কর্মী ও স্বজনদের প্রাধান্য দেওয়ার অভিযোগে ৯৯ জনের মধ্যে ১৫-২০ জনকে নিষিদ্ধঘোষিত দলের কর্মী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে
- 📌 সুপারভাইজার পদে বিএ পাসের শর্ত থাকলেও এইচএসসি পাস ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ
- 📌 সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সেজান মাহমুদ জানান, যেসব কর্মী বছরের পর বছর মামলা-হামলার শিকার হয়েছেন, তাঁরা বঞ্চিত হয়েছেন
- 📌 ইউএনও মোছা. ফরিদা সুলতানা জানান, নিয়োগে দলীয় ভিত্তিতে কাউকে সুযোগ দেওয়া হয়নি এবং অভিযোগ লিখিতভাবে জানালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
রোববার বরিশাল সদর উপজেলা চত্বরে বিভিন্ন ইউনিয়নের ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা জড়ো হয়ে প্রতিবাদ শুরু করেন। তাঁরা অভিযোগ করেন, সদর উপজেলা বিএনপির এক যুগ্ম আহ্বায়কের সুপারিশে একজন এইচএসসি পাস ব্যক্তিকে সুপারভাইজার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী বিএ পাস হলেই কেবল সুযোগ দেওয়া যেত।
সদর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি নাঈম হোসেন জানান, সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন থেকে জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের কর্মী ও তাঁদের স্বজনদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা জানান, সায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন থেকে একজন আবেদন করেছিলেন, কিন্তু তাঁকে সুযোগ দেওয়া হয়নি।
এ ঘটনায় সদর আসনের এমপি মজিবর রহমান সরওয়ারকে অভিযোগ জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছাত্রদলের নেতারা জানান, চরবাড়িয়া ইউনিয়নের একজন ছাত্রলীগ কর্মী তথ্য সংগ্রহকারী পদে নিয়োগ পেয়েছেন। চন্দমোহন ইউনিয়নে যুবলীগ নেতার স্ত্রী নিয়োগ পেয়েছেন।
বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. ফরিদা সুলতানা জানান, ফ্যামিলি কার্ড শুমারির জন্য তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে মেধা ভিত্তিকভাবে ৯১ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৮ জন সুপারভাইজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, দলীয় ভিত্তিতে কাউকে সুযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ লিখিতভাবে জানালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
"আমরা দলীয় ভিত্তিতে কাউকে সুযোগ দিইনি। অভিযোগ লিখিতভাবে জানালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশাল সদর উপজেলা, বরিশাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোছা. ফরিদা সুলতানা, সেজান মাহমুদ, নাঈম হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৯ জন, ১৫-২০ জন, ১০ ইউনিয়ন, ৯১ তথ্য সংগ্রহকারী, ৮ সুপারভাইজার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!