📌 বরিশাল নগরের নবগ্রাম ও বগুড়া সড়কে বছরের ছয় মাস ধরে জলাবদ্ধতা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, খাল ভরাট ও অব্যবস্থাপনার কারণে এ দুটি সড়কে বছরের পর বছর ধরে পানি জমে থাকছে। সিটি করপোরেশন অবশ্য দ্রুত কাজ শুরু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে
বরিশাল নগরের ব্যস্ততম দুই সড়ক নবগ্রাম ও বগুড়া রোড বছরের প্রায় অর্ধেক সময় জলাবদ্ধতায় তলিয়ে থাকে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অব্যবস্থাপনা ও খাল ভরাটের কারণে এ দুটি সড়কে বছরের ছয় মাসই পানি জমে থাকে। ফলে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বরিশাল নগরের নবগ্রাম ও বগুড়া সড়কে বছরের ছয় মাস ধরে জলাবদ্ধতা বিরাজ করছে
- 📌 নবগ্রাম সড়কের হাতেম আলী কলেজ ছাত্রাবাস থেকে ফরেস্টার বাড়ি পুলসংলগ্ন স্থানে হাঁটুপানি দেখা গেছে
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দা কাজী মিজানুর রহমান ফিরোজ জানান, নবগ্রাম খাল ভরাট করে মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছে
- 📌 মুন্সী গ্যারেজের বাসিন্দা মাহবুব মাসুম জানান, বাসা থেকে বের হয়ে সদর রোড যেতে হলে পানি পেরোতে হয়
- 📌 বরিশাল সিটি করপোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম জানান, এ দুটি সড়কের দুর্ভোগ কমাতে টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বরিশাল নগরের নবগ্রাম ও বগুড়া সড়কে বছরের ছয় মাস ধরে জলাবদ্ধতা বিরাজ করছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। নবগ্রাম সড়কের হাতেম আলী কলেজ ছাত্রাবাস থেকে ফরেস্টার বাড়ি পুলসংলগ্ন স্থানে হাঁটুপানি দেখা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দা কাজী মিজানুর রহমান ফিরোজ জানান, নবগ্রাম খাল ভরাট করে মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে সড়কটির দক্ষিণ পাশে অধিকাংশ সময় জলাবদ্ধ থাকে।
মুন্সী গ্যারেজের বাসিন্দা মাহবুব মাসুম জানান, বাসা থেকে বের হয়ে সদর রোড যেতে হলে পানি পেরোতে হয়। এই পানি এতটা নোংরা যে শিশুদের নানা রোগ ছড়ায়। এ ব্যাপারে বরিশাল সিটি করপোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম জানান, এ দুটি সড়কের দুর্ভোগ কমাতে টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাঁরা কাজ শুরু করবেন।
"এখানকার নবগ্রাম খাল ভরাট করে মার্কেট করা হয়েছে। নবগ্রাম রোডের দক্ষিণ পাশের পুরোটাই খাল ছিল। যে কারণে সড়কটির দক্ষিণ পাশে অধিকাংশ সময় জলাবদ্ধ থাকে।"
"বাসা থেকে বের হয়ে সদর রোড যেতে হলে পানি পেরোতে হবে। এই পানি এতটা নোংরা যে শিশুদের নানা রোগ ছড়ায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশাল নগর, নবগ্রাম ও বগুড়া সড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাজী মিজানুর রহমান ফিরোজ, মাহবুব মাসুম, মো. রেজাউল করিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ মাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!