📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় শাপলা সংগ্রহে কর্মহীনদের নতুন আয়: দিনে আয় সর্বোচ্চ দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় শাপলা সংগ্রহে কর্মহীনদের নতুন আয়: দিনে আয় সর্বোচ্চ দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বরিশালের আগৈলঝাড়ায় বর্ষার পানিতে শাপলা ফুটেছে। স্থানীয়রা নৌকা নিয়ে শাপলা সংগ্রহ করে দিনে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা আয় করছেন। পাইকাররা তা গ্রামে গ্রামে বিক্রি করছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাপলা সংরক্ষণের পরামর্শ দিয়েছেন

বরিশালের আগৈলঝাড়ার বিলাঞ্চলের মানুষের কাছে বর্ষা ছিল কর্মহীনতার মৌসুম। কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কাজ কমে গেলেও সেই পানিই এখন অনেক পরিবারের আয়ের উৎস হয়ে উঠেছে। স্থানীয়রা বিনা পুঁজিতে পানি থেকে শাপলা সংগ্রহ ও বিক্রি করে দিনে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা আয় করছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বরিশালের আগৈলঝাড়ায় বর্ষার পানিতে শাপলা ফুটেছে, যা স্থানীয়দের আয় বৃদ্ধির উৎস হয়ে উঠেছে
  • 📌 শাপলা সংগ্রহকারীরা দিনে ২০০ থেকে ৪০০ মুঠি শাপলা সংগ্রহ করে মুঠি প্রতি ৫ টাকা দরে পাইকারদের কাছে বিক্রি করছেন
  • 📌 পাইকাররা মুঠি প্রতি ১০ টাকা দরে গ্রামে গ্রামে শাপলা বিক্রি করছেন, দৈনিক বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ৩০০ মুঠা
  • 📌 শাপলা সংগ্রহ ও বিক্রি করে রাজিহার, গৈলা, বাকাল, বাগধা ও রত্নপুরসহ বিভিন্ন এলাকার কয়েক শ মানুষ সংসারের খরচ মেটাচ্ছেন

📰 বিস্তারিত

বরিশালের আগৈলঝাড়ার বিলাঞ্চলের মানুষের কাছে বর্ষা ছিল কর্মহীনতার মৌসুম। কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কাজ কমে গেলেও সেই পানিই এখন অনেক পরিবারের আয়ের উৎস হয়ে উঠেছে। স্থানীয়রা বিনা পুঁজিতে পানি থেকে শাপলা সংগ্রহ করে দিনে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা আয় করছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, বর্ষার পানিতে উপজেলার বিল-ঝিল, খাল-বাঁওড়, কৃষিজমি পানিতে ডুবে আছে। সেই পানিতে শাপলা ফুটেছে। নৌকা নিয়ে ঘুরে ঘুরে শাপলা সংগ্রহ করছেন অনেকে। সেই শাপলা স্থানীয় পাইকারেরা কিনে নিয়ে ভ্যানে করে বিভিন্ন হাট-বাজার এবং গ্রামে গ্রামে ঘুরে বিক্রি করছেন।

শাপলা সংগ্রহকারী মো. শাহ আলম বলেন, "বর্ষায় কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এখন কৃষিকাজ তেমন নেই। তাই ভোরে নৌকা নিয়ে বিলে গিয়ে শাপলা সংগ্রহ করি। দিনে ২০০ থেকে ৪০০ মুঠি শাপলা সংগ্রহ করতে পারি। পাইকারদের কাছে মুঠি প্রতি ৫ টাকা দরে বিক্রি করি।"

পাইকার অসিম মন্ডল বলেন, "শাপলা সংগ্রাহক থেকে ৫ টাকায় কিনে গ্রামে গ্রামে ঘুরে মুঠি প্রতি ১০ টাকা বিক্রি করি। প্রতিদিন প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ মুঠা বিক্রি হয়। সব খরচ বাদ দিয়ে ভালোই আয় থাকে।"

শাপলা সংগ্রহকারী মজিবুর রহমান বলেন, "বছরের প্রায় চার মাস পানি থেকে শাপলা তুলতে পারি। শাপলা বিক্রি করেই সংসারের খরচ চালাই। কোনো পুঁজি লাগে না, তাই বর্ষায় শাপলা সংগ্রহ করে বিক্রিই আমাদের জন্য বড় ভরসা।"

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুনীতি কুমার সাহা বলেন, "শাপলা প্রচলিত কৃষিপণ্যের আওতাভুক্ত নয়। তবে সবজি হিসেবে বিক্রি করে অনেকে আয় করছেন। শাপলা যেন কিছুটা বেশি সময় সংরক্ষণ করা যায়, সে বিষয়ে সংগ্রহকারীদের পরামর্শ দেওয়া হবে।"

"বর্ষায় কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এখন কৃষিকাজ তেমন নেই। তাই ভোরে নৌকা নিয়ে বিলে গিয়ে শাপলা সংগ্রহ করি। দিনে ২০০ থেকে ৪০০ মুঠি শাপলা সংগ্রহ করতে পারি। পাইকারদের কাছে মুঠি প্রতি ৫ টাকা দরে বিক্রি করি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বরিশালের আগৈলঝাড়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অসিম মন্ডল, মজিবুর রহমান, সুনীতি কুমার সাহা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ থেকে ৪০০ মুঠি, ৫ টাকা, ১০ টাকা, ২০০ থেকে ৩০০ মুঠা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖