📌 বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দশম ল্যান্ড ফোর্সেস টকস (এলএফটি) সমাপ্ত হয়েছে। সংলাপে সামরিক সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ বিনিময় ও প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান ও আমেরিকার মেজর জেনারেল জাইলস জে এস কর্নেলিয়া নেতৃত্ব দেন
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই দিনব্যাপী দশম ল্যান্ড ফোর্সেস টকস (এলএফটি) মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকার সেনানিবাসে সমাপ্ত হয়েছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, এই সংলাপে উভয় দেশের সামরিক বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করে। আলোচনার মূল বিষয় ছিল সামরিক সহযোগিতা জোরদার করা, প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কৌশলগত অংশীদারত্ব সম্প্রসারণ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দশম ল্যান্ড ফোর্সেস টকস (এলএফটি) ২৭ অক্টোবর ঢাকার সেনানিবাসে সমাপ্ত হয়েছে
- 📌 বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে মেজর জেনারেল জাইলস জে এস কর্নেলিয়া
- 📌 আলোচনা কেন্দ্রীয় বিষয়: সামরিক সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ বিনিময়, প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও কৌশলগত অংশীদারত্ব
- 📌 উভয় পক্ষ ঐকমত্য পোষণ করে প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় সমন্বিত প্রস্তুতি গ্রহণের বিষয়ে
- 📌 ২৬ অক্টোবর সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের প্রধান মেজর জেনারেল জাইলস জে এস কর্নেলিয়া
📰 বিস্তারিত
দশম ল্যান্ড ফোর্সেস টকস (এলএফটি) সংলাপে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর সামরিক প্রশিক্ষণ পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান নেতৃত্ব দেন। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে নেতৃত্ব দেন প্যাসিফিক আর্মি কমান্ডের স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড প্ল্যানস বিষয়ক ডেপুটি কমান্ডিং জেনারেল মেজর জেনারেল জাইলস জে এস কর্নেলিয়া। সংলাপে প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, উন্নত প্রযুক্তি ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহারের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সংলাপের আগের দিন, ২৬ অক্টোবর, সেনাসদরে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের প্রধান মেজর জেনারেল জাইলস জে এস কর্নেলিয়া। আইএসপিআর জানায়, এই ধরনের সংলাপ দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা খাতে সক্ষমতা বৃদ্ধি ও পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সংলাপে উভয় পক্ষ প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় সমন্বিত প্রস্তুতি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করে। এছাড়াও, সামরিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়, যা উভয় দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়।
"সংলাপে প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পাশাপাশি উন্নত প্রযুক্তি ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহারে সক্ষমতা বাড়ানো এবং পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা সেনানিবাস, আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্স
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান, মেজর জেনারেল জাইলস জে এস কর্নেলিয়া, জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ অক্টোবর (সমাপ্তি তারিখ), ২৬ অক্টোবর (সাক্ষাত তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!