📌 বাংলার লোকসংগীত ও নজরুলগীতির কিংবদন্তি শিল্পী আব্বাসউদ্দীন আহ্মদের ১২৫তম জন্মবার্ষিকীতে ছায়ানটে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে নজরুল, জসীমউদ্দীন ও লোকসংগীতের গান পরিবেশিত হয়
বাংলার লোকসংগীত ও ইসলামি গানের অন্যতম কিংবদন্তি শিল্পী আব্বাসউদ্দীন আহ্মদের ১২৫তম জন্মবার্ষিকীতে আজ (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঢাকার ধানমন্ডির ছায়ানট মিলনায়তনে বিশেষ সংগীত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানে শিল্পীর অবদানকে স্মরণ করে নজরুলগীতির পাশাপাশি লোকসংগীত ও ইসলামি গানের পরিবেশনা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯০১ সালের ২৭ অক্টোবর ব্রিটিশ ভারতের কোচবিহার জেলার তুফানগঞ্জ মহকুমার বলরামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আব্বাসউদ্দীন আহ্মদ
- 📌 ছায়ানটের সভাপতি সারওয়ার আলী বলেন, ‘আমাদের লোকজ সাংগীতিক ঐতিহ্য সমাজের সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য সৃষ্টি করেছে’
- 📌 অনুষ্ঠানে নজরুলগীতির পাশাপাশি জসীমউদ্দীন, আবদুল করিম ও আশুতোষ চৌধুরীর গান পরিবেশিত হয়
- 📌 শিল্পীদের মধ্যে ছিলেন প্রিয়ন্ত দেব, সুমন মজুমদার, শরিফা খাতুন, বিমান চন্দ্র বিশ্বাস, আবুল কালাম আজাদ, চন্দনা মুজমদার ও কিরণ চন্দ্র রায়
- 📌 অনুষ্ঠান শেষ হয় ‘আল্লাহ মেঘ দে পানি দে’ গানের পরিবেশনা দিয়ে
📰 বিস্তারিত
বাংলার লোকসংগীত ও নজরুলগীতির অন্যতম কিংবদন্তি শিল্পী আব্বাসউদ্দীন আহ্মদের ১২৫তম জন্মবার্ষিকীতে আজ সন্ধ্যায় ছায়ানটে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে শিল্পীর অবদানকে স্মরণ করে নজরুলগীতির পাশাপাশি লোকসংগীত ও ইসলামি গানের পরিবেশনা করা হয়। অনুষ্ঠান শুরু হয় কাজী নজরুল ইসলামের ইসলামি গান ‘এ কোন মধুর শারাব দিলে’র পরিবেশনা দিয়ে। তরুণ শিল্পী প্রিয়ন্ত দেব এই গানটি পরিবেশন করেন।
ছায়ানটের সভাপতি সারওয়ার আলী অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্যে বলেন, ‘সংগীতের ক্ষেত্রে আমাদের রয়েছে সমৃদ্ধ উত্তরাধিকার। ছায়ানট এই উত্তরাধিকারের সঙ্গে জনসাধারণের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার সাধনা করে চলেছে। এবার গানের আসরের মাধ্যমে শিল্পী আব্বাসউদ্দীন আহ্মদকে স্মরণ ও শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। বাংলার গ্রামীণ জনপদে আমাদের গীতিকার ও সুরকারেরা যে লোকজ সাংগীতিক ঐতিহ্য সৃষ্টি করেছেন, এতে সমাজের সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের সৃষ্টি হয়েছে। আর লোকসংগীতশিল্পীরা সেই সংগীতকে মানুষের হৃদয়ে পৌঁছে দিয়েছেন। এই শিল্পীদের মধ্যে আব্বাসউদ্দীন আহ্মদ ছিলেন অন্যতম।’
অনুষ্ঠানে নজরুলগীতির পাশাপাশি জসীমউদ্দীন, আবদুল করিম ও আশুতোষ চৌধুরীর লেখা গান পরিবেশিত হয়। সুমন মজুমদার তিনটি নজরুলগীতির পরিবেশনা করেন, যার মধ্যে ছিল ‘বিশ্ব দুলালি নবী নন্দিনী খাতুনে জান্নাত ফাতেমা জননী’। শরিফা খাতুন ‘ফান্দে পড়িয়া বগা’ ও ‘ওকি একবার আসিয়া’ গান পরিবেশন করেন। বিমান চন্দ্র বিশ্বাস জসীমউদ্দীনের লেখা ‘আমায় এত রাইতে ক্যানে ডাক দিলি’ ও ‘আমার হাড় কালা করলাম রে’ গান গেয়েছেন। শেষে কিরণ চন্দ্র রায় আশুতোষ চৌধুরীর লেখা ‘ও পরানের মাঝি’ গান পরিবেশন করেন।
"সংগীতের ক্ষেত্রে আমাদের রয়েছে সমৃদ্ধ উত্তরাধিকার। ছায়ানট এই উত্তরাধিকারের সঙ্গে জনসাধারণের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার সাধনা করে চলেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার ধানমন্ডির ছায়ানট মিলনায়তন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্বাসউদ্দীন আহ্মদ, সারওয়ার আলী, প্রিয়ন্ত দেব, সুমন মজুমদার, শরিফা খাতুন, বিমান চন্দ্র বিশ্বাস, আবুল কালাম আজাদ, চন্দনা মুজমদার, কিরণ চন্দ্র রায়
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২৫ (জন্মবার্ষিকী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!