📌 মিডটার্ম নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘যদি নির্বাচন সত্যিকারের হয় তাহলে ফলাফল মানবো’। তার প্রশাসন নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজ্যে ভোটার তালিকায় অমেরিকানদের নাম থাকার বিষয়ে আইনি মামলা করছে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সন্দেহ ছড়াচ্ছে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিডটার্ম নির্বাচনের ফলাফল মানবেন ‘যদি নির্বাচন সত্যিকারের হয়’ বলে জানিয়েছেন। একই সাথে তার প্রশাসন নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজ্যে ভোটার তালিকায় অমেরিকানদের নাম থাকার বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সন্দেহের বীজ বপন করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ট্রাম্পের সন্দেহের বাক্য: “আমি যদি নির্বাচন সত্যিকারের হয় তাহলে ফলাফল মানবো” — প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যদি তার প্রার্থিত প্রজাতন্ত্রী দল কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারায় তবুও তিনি ফলাফল মানবেন, কিন্তু শর্তে যে নির্বাচন সত্যিকারের হবে।
- 📌 ডিজি জাস্টিসের আইনি যুদ্ধ: ট্রাম্প প্রশাসন নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে ওয়াশিংটন রাজ্যকে ৪০০ জনেরও বেশি অমেরিকানদের নাম ভোটার তালিকায় থাকার জন্য আইনি চাপ দিচ্ছে। রাজ্য কর্তৃপক্ষ বলেছেন, এই তালিকায় অনেক নাম পুরাতন তথ্যের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে।
- 📌 অ্যালাস্কা নির্বাচন মামলা: ডিজি জাস্টিস আলাস্কা রাজ্যের সিনেট নির্বাচনকে বাতিল করার জন্য মামলা করেছে। তারা দাবি করেছে, একই নামের দু’জন প্রার্থীর কারণে নির্বাচন ন্যায়সঙ্গতভাবে পরিচালিত হয়নি।
- 📌 ক্যালিফোর্নিয়া ও নিউ জার্সির প্রতিবাদ: ক্যালিফোর্নিয়া ও নিউ জার্সি রাজ্য প্রশাসন ডিজি জাস্টিসের নির্বাচন পর্যবেক্ষক প্রেরণের পরিকল্পনাকে প্রতিবাদ করেছে। তারা বলেছেন, এই পদক্ষেপ নির্বাচনের সত্যতায় সন্দেহের বীজ বপন করছে।
- 📌 ভোটার তালিকার ত্রুটি: ওয়াশিংটন রাজ্য কর্তৃপক্ষ বলেছেন, তাদের তালিকায় ১৯৯৪ সালের পুরাতন তথ্য ব্যবহার করে অমেরিকানদের নাম দেওয়া হয়েছে। তারা দাবি করেছেন, ভোটার তালিকায় অমেরিকানদের নাম থাকার ঘটনা খুবই বিরল।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিডটার্ম নির্বাচনের ফলাফল মানবেন ‘যদি নির্বাচন সত্যিকারের হয়’ বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “আমি যদি নির্বাচন সত্যিকারের হয় তাহলে ফলাফল মানবো”। তবে তার প্রশাসন নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজ্যে ভোটার তালিকায় অমেরিকানদের নাম থাকার বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সন্দেহের বীজ বপন করছে।
মার্কিন জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট (ডিজি জাস্টিস) ওয়াশিংটন রাজ্যকে নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে ৪০০ জনেরও বেশি অমেরিকানদের নাম ভোটার তালিকায় থাকার বিষয়ে চাপ দিচ্ছে। ওয়াশিংটন রাজ্যের সেক্রেটারি অফ স্টেট স্টিভ হবস বলেছেন, এই তালিকায় অনেক নাম পুরাতন তথ্যের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেছেন, “এই অনুরোধের সময়সূচী — সাধারণ নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে — অবশ্যই ফলাফলের উপর অবিশ্বাসের সন্দেহ ছড়াতে চায়।”
ডিজি জাস্টিসের এই পদক্ষেপের প্রতিবাদে ওয়াশিংটন রাজ্য বলেছে, তাদের তালিকায় ১৯৯৪ সালের পুরাতন তথ্য ব্যবহার করে অমেরিকানদের নাম দেওয়া হয়েছে। তারা দাবি করেছেন, ভোটার তালিকায় অমেরিকানদের নাম থাকার ঘটনা খুবই বিরল এবং প্রতিটি ভোটার তাদের যোগ্যতা স্বাক্ষর করে।
অ্যালাস্কা রাজ্যে ডিজি জাস্টিস মামলা করেছে, যেখানে একই নামের দু’জন প্রার্থী (ড্যান সালিভান) সিনেট নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তারা দাবি করেছে, এই কারণে নির্বাচন ন্যায়সঙ্গতভাবে পরিচালিত হয়নি। ট্রাম্প বলেছেন, তিনি নিজেই ডিজি জাস্টিসকে আলাস্কা নির্বাচন মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন।
ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্য বলেছে, ডিজি জাস্টিস তাদের কাছে ২০,০০০ জনেরও বেশি অমেরিকানদের নামের তালিকা পাঠিয়েছে। তারা দাবি করেছেন, এই তালিকায় অনেকেই মার্কিন নাগরিক। ডিজি জাস্টিস নির্বাচনের আগে দেশব্যাপী নির্বাচন পর্যবেক্ষক প্রেরণের পরিকল্পনা করেছে, যা ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত রাজ্য যেমন ক্যালিফোর্নিয়া ও নিউ জার্সির প্রতিবাদ করেছে।
"আমি যদি নির্বাচন সত্যিকারের হয় তাহলে ফলাফল মানবো"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (ওয়াশিংটন, আলাস্কা, ক্যালিফোর্নিয়া, নিউ জার্সি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, স্টিভ হবস, ড্যান সালিভান, অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যানচ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০০ জন অমেরিকান ভোটার, ২০,০০০ জন অমেরিকান ভোটার তালিকা, ৩ নভেম্বর মিডটার্ম নির্বাচন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!