📌 বান্দরবানে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উদযাপন উপলক্ষে জেলা শহরের রাজমাঠে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র্যালির আয়োজন করা হয়। আদিবাসীদের জীবন-জীবিকা ও অস্তিত্ব সংরক্ষণে সৃজনশীল শক্তি প্রয়োগের প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অনুষ্ঠান পালিত হয়
বান্দরবানে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উদযাপন উপলক্ষে জেলা শহরের রাজমাঠে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র্যালির আয়োজন করা হয়। ‘আদিবাসীদের জীবন-জীবিকা ও অস্তিত্ব সংরক্ষণে আদিবাসী সমাজের সৃজনশীল শক্তি প্রয়োগ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রোববার (৯ আগস্ট) অনুষ্ঠান পালিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালন উপলক্ষে জেলা শহরের রাজমাঠে আলোচনা সভার আয়োজন।
- 📌 আদিবাসীদের জীবন-জীবিকা ও অস্তিত্ব সংরক্ষণে সৃজনশীল শক্তি প্রয়োগের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ।
- 📌 জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আদিবাসী তরুণ-তরুণী ও নর-নারীরা ঐতিহ্যবাহী পোশাকে অংশগ্রহণ।
- 📌 পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং মারমা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত।
📰 বিস্তারিত
বান্দরবান জেলা শহরের রাজমাঠে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালন উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। রোববার (৯ আগস্ট) সকালে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আদিবাসী তরুণ-তরুণী ও নর-নারীরা নিজ নিজ ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে অংশ নেয়।
বান্দরবান আদিবাসী ফোরামের সভাপতি ডা: মং উসাথোয়াই-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং মারমা। এছাড়া থোয়াইচা প্রু মাস্টার, জিরকুং সাহু, উছোমং মারমা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির ধারাসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদানসহ শান্তি চুক্তির দ্রুত বাস্তবায়ন, পার্বত্য জেলায় অবৈধ বসবাসকারীদের উচ্ছেদসহ আদিবাসীদের শিক্ষা, ভূমি ও জীবনের অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
"পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির ধারাসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদানসহ শান্তি চুক্তির দ্রুত বাস্তবায়ন, পার্বত্য জেলায় অবৈধ বসবাসকারীদের উচ্ছেদসহ আদিবাসীদের শিক্ষা, ভূমি ও জীবনের অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।"
আলোচনা সভার পর রাজার মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় রাজার মাঠে এসে শেষ হয়। র্যালিতে জেলার মারমা, চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, তঞ্চঙ্গ্যা, বম, খুমী, লুসাইসহ ১২টি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন পাহাড়ি সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা অংশ নেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বান্দরবান জেলা শহরের রাজমাঠ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা: মং উসাথোয়াই, কে এস মং মারমা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২টি আদিবাসী জনগোষ্ঠী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!