📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইসরায়েলের নেতানিয়াহু: আরব দলের জয় ‘চুরি’ বলে অভিযোগ, কিন্তু প্রমাণ নেই

ইসরায়েলের নেতানিয়াহু: আরব দলের জয় ‘চুরি’ বলে অভিযোগ, কিন্তু প্রমাণ নেই

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসরায়েলের নেতানিয়াহু সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে আরব দল জয়েন্ট লিস্ট ও রাআমের নির্বাচন চুরি বলে অভিযোগ তুলেছেন। কিন্তু তাদের দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ হাজির করা সম্ভব হয়নি। বিরোধী জোটের প্রধান গাদি আইজেনকট অভিযোগকে রাজনৈতিক কৌশল বলে মন্তব্য করেছেন

ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পর আরব দলগুলোর নির্বাচন চুরি বলে অভিযোগ তুলেছেন। কিন্তু তাদের দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ হাজির করা সম্ভব হয়নি। গত ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়। এরপর থেকে তাঁর দল আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০১৫ সালে নেতানিয়াহু আরব নাগরিকদের ‘দলে দলে ভোট’ দেওয়ার সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন, পরে ক্ষমা চেয়েছিলেন
  • 📌 গত নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোট ৫৩টি আসন পেলেও সরকার গঠনের জন্য ৬১টি আসন প্রয়োজন — সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পর ‘ভোট চুরি’ দাবি
  • 📌 নেতানিয়াহুর দল আরব দল জয়েন্ট লিস্ট ও রাআমের ১৯টি আসন ‘চুরি’ বলে দাবি করলেও কোনো প্রমাণ হাজির করেনি
  • 📌 বিরোধী জোটের প্রধান গাদি আইজেনকট বলেছেন, নেতানিয়াহুর দল নির্বাচনে হেরে গেলেও আরব দলের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে
  • 📌 নির্বাচনের দিন রাআমের তিন কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয় — ঘটনাটি নেতানিয়াহুর প্রচারকৌশলের অংশ বলে অভিযোগ

📰 বিস্তারিত

২০১৫ সালের মার্চে ইসরায়েলের নির্বাচনের দিন ২৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু আরব নাগরিকদের ‘দলে দলে ভোট’ দেওয়ার সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। ডানপন্থী ভোটারদের উদ্দেশে তিনি এ সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। এক সপ্তাহ পর ক্ষমা চেয়ে বলেছিলেন, আরব জনগোষ্ঠীকে সামগ্রিকভাবে আঘাত করার কোনো ইচ্ছা তাঁর ছিল না। কিন্তু এবার ১১ বছর ও ছয়টি নির্বাচনের পর আবারও একই কৌশল নিয়েছিলেন নেতানিয়াহু। গত ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে তাঁর জোট পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে।

নেতানিয়াহুর জোট ১২০টি আসনের মধ্যে ৫৩টি আসন পেয়েছে, কিন্তু সরকার গঠনের জন্য ৬১টি আসন প্রয়োজন। বিরোধী জোট ৪৮টি আসন পেয়েছে। আরব দল জয়েন্ট লিস্ট ও রাআম মিলে ১৯টি আসন পেয়েছে। সরকার বা বিরোধী যেকোনো জোটই নিজেদের মতো করে সরকার গঠন করতে হলে আরব দলগুলোর সমর্থন লাগবে। নেতানিয়াহুর দল আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ‘ভোট চুরি’ ও ‘জালিয়াতি’ দাবি করলেও কোনো প্রমাণ হাজির করেনি।

গত বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) বিরোধী জোটের প্রধান গাদি আইজেনকট বলেছেন, নেতানিয়াহুর দল নির্বাচনে হেরে গেলেও আরব দলের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। তিনি বলেন, ‘তারা নির্বাচনে হেরে গেছে বলেই এসব করছে’। নেতানিয়াহুর দল আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ‘ভোট চুরি’ দাবির লক্ষ্য স্পষ্ট—আরবদের রাজনৈতিক সহযোগিতাকে অবৈধ হিসেবে তুলে ধরা।

নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচনের পর তাঁর প্রধান লক্ষ্য হলো ইহুদি ও আরবদের মধ্যে যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক সহযোগিতাকে অবৈধ হিসেবে তুলে ধরা। অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে নেতানিয়াহু আরব অধ্যুষিত এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলোতে পর্যবেক্ষক মোতায়েনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। তিনি এমনভাবে বিষয়টি তুলে ধরেন, যেন আরবদের ভোটকেন্দ্রগুলোতে জালিয়াতির আশঙ্কা রয়েছে।

নির্বাচনের দিন সকালে ভোটের বিনিময়ে অর্থ দেওয়ার অভিযোগে রাআমের তিন কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনাটি ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়। পরে জানা যায়, গ্রেপ্তারের বিষয়ে পুলিশের কাছে প্রথম তথ্য দিয়েছিলেন নেতানিয়াহুর চিফ অব স্টাফ। তিনি নিয়মিত প্রক্রিয়া এড়িয়ে সরাসরি পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন।

"তারা নির্বাচনে হেরে গেছে বলেই এসব করছে। ভোট চুরির দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ নেই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইসরায়েল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, গাদি আইজেনকট
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৩ (নেতানিয়াহুর জোটের আসন), ১৯ (আরব দলের আসন), ৬১ (সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖