📌 ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি আইনপ্রণেতা আহমাদ তিবি ইসরায়েলের বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকটকে সংখ্যালঘু সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আইজেনকটের সাহস দেখিয়ে ফিলিস্তিনি দলগুলোর সঙ্গে কাজ করলে নেতানিয়াহুর সরকারের অবসান ঘটবে
ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি আইনপ্রণেতা আহমাদ তিবি ইসরায়েলের বিরোধী জোটের নেতা গাদি আইজেনকটকে ‘রাজনৈতিক সাহস’ দেখিয়ে সংখ্যালঘু সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মিডল ইস্ট আইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ফিলিস্তিনি দলগুলোর সমর্থন নিয়ে আইজেনকট যদি সংখ্যালঘু সরকার গঠন করেন, তাহলে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের অবসান ঘটবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি আইনপ্রণেতা আহমাদ তিবি গাদি আইজেনকটকে সংখ্যালঘু সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন
- 📌 ফিলিস্তিনি দলগুলোর সম্মিলিত আসন সংখ্যা ১৯টি — যা ইসরায়েলের নেসেটে তাদের জন্য রেকর্ড
- 📌 নেতানিয়াহুর জোট ৫৩টি আসন পেয়েছে, আইজেনকটের জোট ৪৮টি — ৬১টি আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে আরব দলগুলোর সমর্থন দরকার
- 📌 তিবি বলেছেন, ‘আমরা জাতীয় ঐক্যের সরকার চাই না — আমরা আইজেনকটের সংখ্যালঘু সরকার চাই’
- 📌 ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি ভোটারদের উপস্থিতির কারণে নেতানিয়াহু সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে পারেননি
📰 বিস্তারিত
তিবি ‘জয়েন্ট লিস্ট’ দলের প্রতিষ্ঠাতা। এই দলের সঙ্গে হাদাশ ও বালাদ মিলে নির্বাচনে ১১টি আসন পেয়েছে। আর ফিলিস্তিনপন্থী আরেক দল রাআম পেয়েছে ৮টি আসন। সব মিলিয়ে ফিলিস্তিনি দলগুলোর আসন সংখ্যা ১৯টি দাঁড়িয়েছে, যা ইসরায়েলের নেসেটে তাদের জন্য সর্বোচ্চ। তিনি বলেন, এই নির্বাচনে ফিলিস্তিনপন্থী আরব দলগুলোর সমর্থন ছাড়া নেতানিয়াহু বা আইজেনকটের জোটই সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে পারবে না।
তিবি বলেন, ‘আমি আশা করি, আইজেনকট যথেষ্ট সাহস দেখিয়ে এগিয়ে যাবেন এবং একটি সংখ্যালঘু সরকার গঠন করবেন। এর মধ্য দিয়ে অবিলম্বে নেতানিয়াহুর সরকারের অবসান ঘটবে।’ তিনি আরও বলেন, জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন করলে নেতানিয়াহুর নীতিগুলো অব্যাহত থাকবে। কিন্তু সংখ্যালঘু সরকার গঠন করলে ফিলিস্তিনি দলগুলোর সমর্থন নিয়ে নতুন নীতির পথ খুলতে পারবে।
২০২২ সালের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোট ৬৪টি আসন পেয়েছিল। কিন্তু মঙ্গলবারের নির্বাচনে তাঁর জোট পেয়েছে মাত্র ৫৩টি আসন। গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বে বিরোধী জোট পেয়েছে ৪৮টি আসন। ১২০ আসনের নেসেটে সরকার গঠনের জন্য ন্যূনতম ৬১টি আসন প্রয়োজন। তিবি বলেন, ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি ভোটারদের উপস্থিতির কারণে নেতানিয়াহু এবার সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে পারেননি।
"আমরা জাতীয় ঐক্যের সরকার চাই না। কারণ, এক পক্ষ তার নিষ্ঠুর নীতি অব্যাহত রাখবে, আর অন্য পক্ষ সেই নীতির পক্ষে প্রচার চালিয়ে তা গ্রহণযোগ্য করে তুলতে সাহায্য করবে। আমরা আইজেনকটের নেতৃত্বে নতুন সরকার চাই। সেটি হবে সংখ্যালঘু সরকার। এ ধরনের সরকার গঠনে আমরা সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসরায়েল (নেসেট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আহমাদ তিবি (ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি আইনপ্রণেতা), গাদি আইজেনকট (বিরোধী জোটের নেতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯টি আসন (ফিলিস্তিনি দলগুলোর), ৬১টি আসন (সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয়), ৫৩টি আসন (নেতানিয়াহুর জোট), ৪৮টি আসন (আইজেনকটের জোট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!