📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৩৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সাবেক মুখপাত্র: গাজা যুদ্ধে সত্য বিকৃত করে জনমত নিয়ন্ত্রণ করা হতো

ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সাবেক মুখপাত্র: গাজা যুদ্ধে সত্য বিকৃত করে জনমত নিয়ন্ত্রণ করা হতো

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সাবেক মুখপাত্র আইয়েলেত ক্রয়জার স্বীকার করেছেন, গাজা ও পশ্চিম তীরে সামরিক অভিযানের তথ্য বিকৃত করে জনমত নিয়ন্ত্রণ করা হতো। নিরীহ ফিলিস্তিনিদেরকে 'সন্ত্রাসী' হিসেবে চিহ্নিত করা হতো এবং আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের জন্য সত্যকে বলি দেয়া হতো

ইসরাইলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র দফতরের সাবেক নারী সদস্য আইয়েলেত ক্রয়জার গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সামরিক অভিযানের তথ্য বিকৃত করার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, নিরীহ ফিলিস্তিনিদেরকে 'সন্ত্রাসী' হিসেবে আখ্যা দেয়া হতো এবং আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের জন্য সত্যিকারের ঘটনাবলিকে নিয়ন্ত্রিত করা হতো।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সাবেক মুখপাত্র আইয়েলেত ক্রয়জার স্বীকার করেছেন, গাজা ও পশ্চিম তীরে সামরিক অভিযানের তথ্য বিকৃত করা হতো
  • 📌 নিরীহ ফিলিস্তিনিদেরকে 'সন্ত্রাসী' হিসেবে চিহ্নিত করা হতো এবং বক্তব্য সাজানো হতো জনমত নিয়ন্ত্রণের জন্য
  • 📌 সেনাবাহিনীর মুখপাত্র দফতর জনসংযোগ প্রতিষ্ঠানের মতো কাজ করতো, সত্য তুলে ধরার পরিবর্তে নিয়ন্ত্রণ রাখতো তারা
  • 📌 গাজায় ইসরাইলি হামলায় ৭৪ হাজার নিহত এবং ১ লাখ ৭৫ হাজার আহত হয়েছে, ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে
  • 📌 ক্রয়জার বলেছেন, 'অন্যায়ের সামনে নীরব থাকা আমার স্বভাব ছিল না, কিন্তু সেনাবাহিনীতে দায়িত্বে থাকা সময় আমাকে অন্যায়ের পক্ষে জনসংযোগ চালাতে বলা হতো'

📰 বিস্তারিত

তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনদুলু মঙ্গবার (৩ নভেম্বর) জানিয়েছে, ইসরাইলি সংগঠন 'ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স'-এর মুখপাত্র হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর আইয়েলেত ক্রয়জার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি বলেছেন, সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালনের সময় গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য সাজানো হতো। নিরীহ ফিলিস্তিনিদের নামের সাথে 'সন্ত্রাসী' তকমা জুড়ে দেয়া হতো এবং বক্তব্য সাজানো হতো জনসংযোগের লক্ষ্যে।

ক্রয়জার আরও বলেছেন, পশ্চিম তীর ও গাজার বাস্তব পরিস্থিতি দেখার পাশাপাশি সেনাবাহিনী সাধারণ মানুষের সামনে ঘটনাগুলো কীভাবে তুলে ধরতে চায়, সেটিও তিনি কাছ থেকে দেখেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, সেনাবাহিনীর মুখপাত্র দফতর জনসংযোগ প্রতিষ্ঠানের মতো কাজ করতো। জনসাধারণের কাছে জবাবদিহি করার পরিবর্তে ঘটনাগুলোর সত্য তুলে ধরার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখতো তারা। ইসরাইলের জনগণের উদ্দেশে বক্তব্য দেয়ার লক্ষ্য ছিল সেনাবাহিনীর ওপর আস্থা বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক মহলে সামরিক অভিযানের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানো।

ক্রয়জার একটি হামলায় বহু মানুষের মৃত্যুর খবর জানানোর অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, 'একটি হামলায় কয়েক ডজন মানুষ নিহত হওয়ার খবর দেয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ করতাম, নিরীহ মানুষের ক্ষতি হওয়ায় আমরা দুঃখিত।' তিনি আরো লিখেছেন, 'অন্যায়ের সামনে নীরব থাকা কখনোই আমার স্বভাব ছিল না। অথচ এখানে আমাকে সেই অন্যায়ের পক্ষে জনসংযোগ চালাতে বলা হতো।'

ক্রয়জার ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলমান গাজা যুদ্ধে ইসরাইলি হামলায় ফিলিস্তিনি নিরীহদের ভয়াবহ অবস্থার কথা তুলে ধরেছেন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, এই যুদ্ধে ৭৪ হাজার বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭৫ হাজার বেশি আহত হয়েছে। গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে।

"সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালনের সময় গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের খুঁটিনাটি আমি নিজের মতো করে সাজিয়েছি। দেখেছি, নিরীহ ফিলিস্তিনিদের নামের সাথেও কীভাবে 'সন্ত্রাসী' তকমা জুড়ে দেয়া হতো।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাজা, পশ্চিম তীর, ইসরাইল, তুরস্ক
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইয়েলেত ক্রয়জার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৪ হাজার (নিহত), ১ লাখ ৭৫ হাজার (আহত), ৯০ শতাংশ (বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖