📌 নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় কৃষিজমিতে অবৈধভাবে স্থাপিত তিনটি ইটভাটা প্রশাসন গুঁড়িয়ে দিয়েছে। তিন মালিককে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা অংশ নেন
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটা ও ইটভাটা স্থাপনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন তিনটি অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে এবং তিন মালিককে মোট ছয় লাখ টাকা জরিমানা করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নোয়াখালী সুবর্ণচরে তিনটি অবৈধ ইটভাটা ভেঙে ফেলা হয় — পপুলার ব্রিকস, তাহেরা ব্রিকস ও জহুরা ব্রিকস
- 📌 তিন মালিককে (আবদুল আজিজ, শাহাদাত হোসেন ও জামাল উদ্দিন) দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয় — মোট ৬ লাখ টাকা
- 📌 অভিযানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছেনমং নেতৃত্ব দেন
- 📌 পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক রায়হান মোর্শেদ, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধিরা অংশ নেন
- 📌 কৃষিজমি থেকে মাটি কাটা ও ইটভাটা স্থাপনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেয় প্রশাসন
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার দুপুরে চরজব্বর ইউনিয়নের পশ্চিম চরজব্বর গ্রামে অভিযান চালানো হয়। পপুলার ব্রিকসের মালিক আবদুল আজিজ, তাহেরা ব্রিকসের মালিক শাহাদাত হোসেন ও জহুরা ব্রিকসের মালিক জামাল উদ্দিনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের আদেশে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন সুবর্ণচর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছেনমং।
ম্যাজিস্ট্রেট ছেনমং বলেন, “কৃষিজমি রক্ষা ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে অবৈধভাবে মাটি কাটা এবং কৃষিজমিতে ইটভাটা স্থাপনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। কেউ আইন অমান্য করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক রায়হান মোর্শেদ, চরজব্বর থানা-পুলিশের সদস্য, ব্যাটালিয়নের প্রতিনিধি এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা। অভিযানের লক্ষ্য ছিল কৃষিজমি থেকে ইট তৈরির কাঁচামাল সংগ্রহ বা ইটভাটা স্থাপনের কাজে জমি ব্যবহার বন্ধ করা।
"কৃষিজমি যাতে ইটভাটার কাঁচামাল সংগ্রহ বা ভাটা স্থাপনের কাজে ব্যবহার করা না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারি থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নোয়াখালী সুবর্ণচর উপজেলা, পশ্চিম চরজব্বর গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছেনমং, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক রায়হান মোর্শেদ, মালিক আবদুল আজিজ, শাহাদাত হোসেন ও জামাল উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ লাখ টাকা (মোট জরিমানা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!