📌 কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা সীমান্তে এসআরবি-১৫-এর বিশেষ অভিযানে ১১ লাখ পিস ইয়াবা জব্দ এবং দুই মাদক কারবারি আটক হয়। অভিযান পরিচালনা করে পুলিশের সহকারী সুপার সোহেল রানার। মাদক পাচারের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সংঘবদ্ধ চক্রের কার্যকলাপ বন্ধে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়
কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে বিশেষ অভিযানে মাদক পাচারের বড় চালান উদ্ধার এবং দুই কারবারি আটক হয়। এসআরবি-১৫-এর বিশেষ দল গত সোমবার (৩ নভেম্বর) মধ্যরাতের দিকে হ্নীলা ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১১ লাখ পিস ইয়াবা জব্দ করে। এছাড়াও পাঁচটি দেশীয় তৈরি বড় রামদা উদ্ধার করা হয়, যা মাদক পাচারের জন্য ব্যবহৃত হত বলে ধারণা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১১ লাখ পিস ইয়াবা** জব্দ: টেকনাফের হ্নীলা সীমান্তে এসআরবি-১৫-এর অভিযানে মাদক পাচারের বড় চালান উদ্ধার হয়
- 📌 **দুই কারবারি আটক**: মো. আবছার উদ্দীন (১৯) ও মো. আদিল (২৬) সন্দেহভাজন মাদক পাচারকারীদের মধ্যে দুজন
- 📌 **পাঁচটি রামদা জব্দ**: মাদক পাচারের জন্য ব্যবহৃত দেশীয় তৈরি পাঁচটি বড় রামদা উদ্ধার করা হয়
- 📌 **সহকারী সুপার সোহেল রানার** নেতৃত্বে অভিযান: টেকনাফ সিপিসি-১ ক্যাম্পের সদস্যরা গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে
- 📌 **সীমান্ত মাদক পাচারের ঝুঁকি**: টেকনাফ দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত
📰 বিস্তারিত
গত মংগলবার (২ নভেম্বর) গভীর রাতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভী বাজার আঠারো ঘরপাড়া এলাকায় সীমান্তসংলগ্ন ধানখেতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসআরবি-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার ও পরিচালক (ল' অ্যান্ড মিডিয়া) আ. ম. ফারুক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে একটি সংঘবদ্ধ মাদক কারবারি চক্র হ্নীলা সীমান্ত দিয়ে ইয়াবার বড় চালান দেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে। অভিযানিক দল সীমান্ত এলাকায় সন্দেহভাজন ৯ থেকে ১০ জনের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে দুজন কারবারিকে আটক করতে সক্ষম হয়। তবে অন্যরা পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, টেকনাফ সীমান্ত দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানে প্রায়ই মাদকের বড় চালান উদ্ধার হচ্ছে। এসআরবি-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার সোহেল রানার নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়, যেখানে মাদক পাচারের ঝুঁকি কমাতে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে হ্নীলা ইউনিয়নের নাইখংখালী এলাকার সলিম উদ্দীনের ছেলে মো. আবছার উদ্দীন (১৯) এবং মৌলভী বাজার এলাকার ছলিম উদ্দীনের ছেলে মো. আদিল (২৬)। অভিযান শেষে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে সর্বমোট ১১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
"সীমান্তবর্তী টেকনাফ দীর্ঘদিন ধরে মাদক চোরাচালানের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। মিয়ানমার সীমান্ত ঘেঁষা বিভিন্ন পয়েন্ট ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যরা ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক দেশে পাচারের চেষ্টা চালিয়ে আসছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টেকনাফ উপজেলা, কক্সবাজার, হ্নীলা ইউনিয়ন, মৌলভী বাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সহকারী পুলিশ সুপার সোহেল রানার, আ. ম. ফারুক, মো. আবছার উদ্দীন (১৯), মো. আদিল (২৬)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ লাখ পিস ইয়াবা, ৫টি রামদা, ১৯ বছর, ২৬ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!