📌 শেরপুরে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের মামলায় আসামি শিপন মিয়া ও তার পরিবার বাদীকে মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়েছেন। বাদীকে সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার পথে হামলা চালানো হয় এবং হাসপাতালেও হুমকি দেওয়া হয়। সদর থানায় ৫ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে
শেরপুর সদর উপজেলায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের মামলায় আসামিপক্ষের সদস্যরা বাদীকে মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়েছেন। ঘটনাটি ঘটে গত মঙ্গলবার সকালে, যখন বাদী সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে যাচ্ছিলেন। স্থানীয়রা বাদীকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। হাসপাতালেও আসামিরা হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৭ বছর বয়সী বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের মামলায় আসামি শিপন মিয়া ও তার পরিবার বাদীকে মারধর করে।
- 📌 ৫ জন আসামিকে সদর থানায় লিখিত অভিযোগে দায়ের করা হয়েছে।
- 📌 ২৩ বছর বয়সী শিপন মিয়া ও তার লোকজন বাদীকে সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার পথে হামলা চালায়।
- 📌 ২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ধর্ষণের পর শিপন মিয়া কিশোরীকে গর্ভপাত করান।
- 📌 ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মামলা দায়ের করা হয়, কিন্তু আসামিরা বাদীপক্ষকে চাপ দিতে থাকেন।
📰 বিস্তারিত
শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের মামলায় সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার সময় বাদীকে মারধর করা হয়। ঘটনাটি ঘটে গত মঙ্গলবার সকালে। বাদীকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। হাসপাতালে গিয়ে আসামিরা বাদীকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন শিপন মিয়া ওরফে ফকির। ধর্ষণের পর কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে শিপন মিয়া ২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর তাকে গর্ভপাত করান। ঘটনাটি জানাজানি ওই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগে মামলা করেন কিশোরীর বাবা।
ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে শেরপুর জেলা সিআইডিকে তদন্তের আদেশ দেন। সিআইডি তদন্তে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের সত্যতা পেয়ে ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। এরপর ট্রাইব্যুনাল শিপন মিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে শিপন ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণের কিছুদিন পর জামিনে বের হন।
মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য হলে শিপন ও তাঁর পরিবার বাদীপক্ষকে মামলা তুলে নিতে চাপ দিতে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মঙ্গলবার সকালে ট্রাইব্যুনালে মামলার সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার সময় মামলার বাদী ওই কিশোরীর বাবার ওপর হামলা চালায় শিপন মিয়া ও তাঁর লোকজন।
"মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য হলে শিপন ও তাঁর পরিবার বাদীপক্ষকে মামলা তুলে নিতে চাপ দিতে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় বাদীকে মারধর করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শেরপুর সদর উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরী (১৭), শিপন মিয়া (২৩), কিশোরীর বাবা, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খোকন চন্দ্র দাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন আসামি, ২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর (ধর্ষণ), ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর (মামলা দায়ের), ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর (তদন্ত প্রতিবেদন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!