📌 চট্টগ্রাম বন্দর থেকে জাল স্বাক্ষর ও ভুয়া সিলের মাধ্যমে ৩ কোটি টাকার মূল্যের কাপড়ভর্তি একটি ৪০ ফুট কনটেইনার চুরি করা হয়। ঘটনায় প্যারামাউন্ট ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের দুই কর্মীসহ তিন-চার অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেছে এবং বন্দর কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে জাল স্বাক্ষর ও ভুয়া সিলের মাধ্যমে ৩ কোটি টাকার মূল্যের একটি ৪০ ফুট কনটেইনার চুরি করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত প্যারামাউন্ট ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের দুই কর্মী মো. মোর্শেদ আলম (৩১) ও মো. সাইদুর রহমান (৫১) পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। ঘটনাটি বন্দরের ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থার সাথে অসঙ্গতি সৃষ্টি করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩ কোটি টাকার মূল্যের কাপড়ভর্তি একটি ৪০ ফুট কনটেইনার চট্টগ্রাম বন্দর থেকে জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে বের করা হয়
- 📌 প্যারামাউন্ট ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের দুই কর্মী মো. মোর্শেদ আলম (৩১) ও মো. সাইদুর রহমান (৫১) গ্রেপ্তার করা হয়
- 📌 ৩ থেকে ৪ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে, তাদেরও তদন্ত চলছে
- 📌 ১১ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ৭ মিনিটে কনটেইনারটি অন-চ্যাসিসে সরানো হয়, পরে বন্দর থেকে বের করা হয়
- 📌 বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেছেন, একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে
- 📌 বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুর রহিম নিশ্চিত করেছেন, দুই সিএন্ডএফ কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এমআরএসইউ-৮৬৯২৮২৭ নম্বরের কনটেইনারটি গোল্ড স্টার গার্মেন্টস লিমিটেডের। এতে শতভাগ রপ্তানিমুখী পণ্য তৈরির কাপড় ছিল। ঘটনাটি ঘটে ১১ আগস্ট। সকালে কনটেইনারটি সিসিটি ইয়ার্ডে রাখা হয়েছিল। পরে সেখানে থেকে জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে বন্দর থেকে বের করা হয়। বন্দরের ডিজিটাল ব্যবস্থায় কনটেইনারটির ডেলিভারি রেকর্ড তৈরি করা হয়েছিল, কিন্তু সেই মুভমেন্ট অনুমোদনের কাগজে থাকা স্বাক্ষরটি জাল বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজে মোর্শেদ আলম ও সাইদুর রহমানকে অন-চ্যাসিসের কাগজপত্রের কপি নিয়ে আসতে দেখা যায়। বন্দর কর্মকর্তারা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তারা স্বীকার করেন যে, তারা নিখোঁজ কনটেইনারটি সরানোর সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পরে কনটেইনারটি একটি ট্রেইলারে তোলা হয় এবং বন্দর থেকে বের করা হয়। ট্রেইলারটির চালক ১ নম্বর গেটে দায়িত্বে থাকা গেট সার্জেন্ট মো. শাহাব উদ্দিন ও নিরাপত্তাকর্মী চন্দন কুমার সরকারের কাছে ডেলিভারি কাগজপত্র দেখান।
বন্দর কর্মকর্তারা বলেছেন, বন্দরকর্মী ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততা ছাড়া কনটেইনার ছাড়ানো সম্ভব নয়। তারা জিজ্ঞাসা করেছেন যে, কাগজপত্র দেখে প্রতারিত হয়েছিলেন কিনা, নাকি জেনেশুনে কেউ কনটেইনারটি বের হতে সহায়তা করেছিলেন। এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে তদন্ত চলছে।
"কনটেইনার নিখোঁজের ঘটনায় একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। একটি সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠানের দুই কর্মীকে শনাক্ত করে আটক করার পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।"
— সৈয়দ রেফায়েত হামিম, বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মোর্শেদ আলম (৩১), মো. সাইদুর রহমান (৫১), সৈয়দ রেফায়েত হামিম, আবদুর রহিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ কোটি টাকা, ৪০ ফুট কনটেইনার, ৩-৪ জন অজ্ঞাত আসামি, ১১ আগস্ট, ৬টা ৭ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!