📅 ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

খুলনা আদালতে অর্থ আত্মসাৎ মামলায় ৭ আসামিকে দেনা ১০ বছরের কারাদণ্ড, ৯২ কোটি টাকা জরিমানা

খুলনা আদালতে অর্থ আত্মসাৎ মামলায় ৭ আসামিকে দেনা ১০ বছরের কারাদণ্ড, ৯২ কোটি টাকা জরিমানা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খুলনার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতে অর্থ আত্মসাৎ মামলায় ৭ আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৯২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৬ জন সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা এবং ১ জন ব্যবসায়ী। মামলায় ৪৯ কোটি টাকা ঋণ আত্মসাৎ করা হয়নি

খুলনার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতে অর্থ আত্মসাৎ মামলায় ৭ জন আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৯২ কোটি ৬৩ লাখ ৩১ হাজার ৭৫২ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও প্রত্যেকের উপর ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের শর্ত আরোপ করা হয়েছে। বিচারক মুহা. আদীব আলী আজ বুধবার এই রায় ঘোষণা করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 খুলনার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতে ৭ আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  • 📌 ৬ জন সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা ও ১ জন ব্যবসায়ী মামলায় দোষী সাব্যস্ত
  • 📌 ৯২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং প্রত্যেকের জন্য ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের শর্ত
  • 📌 মামলায় ২০০৫ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ৪৯ কোটি টাকা ঋণ আত্মসাৎ করা হয়নি
  • 📌 দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তে মামলা দায়ের করা হয়

📰 বিস্তারিত

খুলনার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মুহা. আদীব আলী আজ বুধবার অর্থ আত্মসাৎ মামলায় ৭ জন আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। এদের মধ্যে ৬ জন সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা এবং ১ জন ব্যবসায়ী। আদালতের সূত্র জানায়, আসামিরা হলেন দৌলতপুর থানার ডিসি রোডের মেসার্স ইস্টার্ন ট্রেডার্সের মালিক সনজিৎ কুমার দাস (পলাতক), সোনালী ব্যাংকের সাবেক গোডাউন কিপার মো. মতিয়ার রহমান, সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মো. নজরুল ইসলাম, সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক মানিক চন্দ্র মণ্ডল (পলাতক), সাবেক সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. রুহুল আমিন, সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার মো. সিরাজুল ইসলাম এবং সাবেক অফিসার অজিত কুমার সরকার।

মামলায় জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৯ জুন থেকে ২০১৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণার মাধ্যমে ব্যাংক থেকে ৮টি সিসি প্লেজ, পিসিসি এবং সুদবাহী ব্লক ঋণ হিসেবের মাধ্যমে ৪৯ কোটি ৬২ লাখ টাকা গ্রহণ করে। পরবর্তীতে তারা এই ঋণ পরিশোধ না করে আত্মসাৎ করেন। বর্তমানে সুদাসলে এই অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯২ কোটি ৬৩ লাখ ৩১ হাজার ৭৫২ টাকা।

২০১৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের উপসহকারী পরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট তদন্ত কর্মকর্তা মো. মোশাররফ হোসেন আসামিদের নাম উল্লেখ করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতে চার্জ গঠন করা হয়।

"আদালতের সূত্র জানায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণার মাধ্যমে ব্যাংক থেকে ঋণ আত্মসাৎ করে। বর্তমানে সুদাসলে এই অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খুলনা, দৌলতপুর থানা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারক মুহা. আদীব আলী, মো. মোশাররফ হোসেন, সনজিৎ কুমার দাস, মো. মতিয়ার রহমান, মো. নজরুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন আসামি, ১০ বছরের কারাদণ্ড, ৯২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖