📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের আনন্দবাজারে ইলিশ বিক্রেতা আপেল মাহমুদ ওজন যন্ত্রে কারচুপি করে প্রতারণা করার দায়ে ১ লাখ টাকা জরিমানা পেয়েছেন। ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তারা রাবার রশি দিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণ করার পদ্ধতি ধরে ফেলেন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের আনন্দবাজারে ইলিশ মাছ বিক্রেতা আপেল মাহমুদ ওজন যন্ত্রে কারচুপি করে ক্রেতাদের প্রতারণা করার দায়ে ১ লাখ টাকা জরিমানা পেয়েছেন। আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা অভিযান চালিয়ে এই জরিমানা কার্যকর করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া আনন্দবাজারে ইলিশ বিক্রেতা আপেল মাহমুদ ওজন যন্ত্রে কারচুপি করছিলেন — রাবার রশি দিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণ করতেন
- 📌 ওজন যন্ত্রের ডিজিটাল পাল্লায় রশি বেঁধে ক্রেতাদের কম ওজন প্রদান করতেন বিক্রেতা
- 📌 জেলা ভোক্তা অধিকার উপপরিচালক ইফতেখারুল আলম নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মাহমুদকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়
- 📌 দোষ স্বীকার করে মাহমুদ ভবিষ্যতে কারচুপি করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দেন
📰 বিস্তারিত
আনন্দবাজারের মাছের আড়তে অভিযান চালিয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ইলিশ বিক্রেতা আপেল মাহমুদকে ধরে ফেলেন। ওজন যন্ত্রে কারচুপির অভিযোগে অভিযানকারী দলের নেতৃত্ব দেন জেলা ভোক্তা অধিকার উপপরিচালক ইফতেখারুল আলম। অভিযানকারীরা জানান, বিক্রেতা আপেল মাহমুদ অত্যন্ত কৌশলে ক্রেতাদের ওজনে কম দিচ্ছিলেন। ওজন পরিমাপক যন্ত্রের ভেতরে রাবার রশি দিয়ে সংযুক্ত করে গামছার আড়ালে রশিটি টান ও ঢিলা করার মাধ্যমে ইচ্ছেমতো ওজন নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি।
ইফতেখারুল আলম বলেন, দোষ স্বীকার করে মাহমুদকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি জানান, মাহমুদ ভবিষ্যতে এ রকম কারচুপি করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
"দোষ স্বীকার করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী মাছ বিক্রেতা আপেল মাহমুদকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আনন্দবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আপেল মাহমুদ (বিক্রেতা), ইফতেখারুল আলম (উপপরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ টাকা জরিমানা, ১২ টা (অভিযান সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!