📌 সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলায় হাইকোর্টে নতুন তথ্য উপস্থাপিত হয়েছে। টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনে জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীরের সংশ্লিষ্টতার তথ্য উঠে এসেছে। ১৪ বছর পরও মামলার তদন্ত শেষ হয়নি
ঢাকায় সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনির হত্যাকাণ্ডের মামলায় হাইকোর্টে নতুন তথ্য উন্মোচিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিবেদনে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রোকেয়া প্রাচীরের সংশ্লিষ্টতার তথ্য উঠে এসেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের বরাতে এই তথ্য জানা গেছে। তবে বিস্তারিত বিবরণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৭ অক্টোবর হাইকোর্টে সাগর-রুনি হত্যা মামলার টাস্কফোর্স প্রতিবেদন উপস্থাপিত; জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীরের সংশ্লিষ্টতার তথ্য উঠে এসেছে
- 📌 ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে সাগর সারওয়ার (মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক) ও মেহেরুন রুনি (এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক) নিহত হন
- 📌 ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের নির্দেশে র্যাবের পরিবর্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে টাস্কফোর্স গঠন করা হয়
- 📌 ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিল পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়, পরে ২২ এপ্রিল, ২৩ অক্টোবর ও ২৬ এপ্রিল আরও ছয় মাস করে সময় বাড়ানো হয়
- 📌 ২০১২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন; পরে ১৬ ফেব্রুয়ারি তদন্তভার দেওয়া হয় গোয়েন্দা পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক মো. রবিউল আলমকে
- 📌 ১৪ বছর পরও মামলার তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া শেষ হয়নি; বর্তমানে নতুন তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছে
📰 বিস্তারিত
সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনির হত্যাকাণ্ডের মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত টাস্কফোর্সের প্রতিবেদন মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষ থেকে উপস্থাপিত হয়। প্রতিবেদনে জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীরের সংশ্লিষ্টতার তথ্য উঠে এসেছে, তবে বিস্তারিত বিবরণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি। এই তথ্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের বরাতে জানা গেছে।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে ভাড়া বাসায় সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি নিহত হন। পরদিন সকালে তাদের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। প্রথমে থানা-পুলিশ মামলাটির তদন্ত করে, পরে ১৬ ফেব্রুয়ারি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় গোয়েন্দা পুলিশের উত্তর বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক মো. রবিউল আলমকে।
২০১২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করে। রুলে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে ২০১২ সালের ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের নির্দেশে র্যাবের পরিবর্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন দাখিলের অগ্রগতি না হওয়ায় পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২২ এপ্রিল, ২৩ অক্টোবর ও ২৬ এপ্রিল আরও ছয় মাস করে সময় বাড়ানো হয়।
২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর বাদীপক্ষের আইনি লড়াই পরিচালনার জন্য আইনজীবী শিশির মনিরকে নিয়োগ দেওয়া হয়। দীর্ঘ ১৪ বছর পরও মামলার তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া শেষ হয়নি। টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনে নতুন করে সংশ্লিষ্টতার তথ্য উঠে আসায় মামলার তদন্তে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে।
"সাগর-রুনি হত্যা মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে ২০১২ সালে রিট করেছিলেন। ওই রিটের শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেন। পরে পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার তদন্তভার র্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (পশ্চিম রাজাবাজার)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জিয়াউল আহসান, রোকেয়া প্রাচীর, সাগর সারওয়ার, মেহেরুন রুনি, নওশের আলী রোমান, মো. রবিউল আলম, আইনজীবী শিশির মনির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ (অক্টোবর), ৩০ (সেপ্টেম্বর), ৬ (এপ্রিল), ২২ (এপ্রিল), ২৩ (অক্টোবর), ২৬ (এপ্রিল), ১১ (ফেব্রুয়ারি), ১২ (ফেব্রুয়ারি), ১৬ (ফেব্রুয়ারি), ২৮ (ফেব্রুয়ারি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!