📌 রংপুরের কাউনিয়া থানায় মাজারের খাদেম রহমত আলীর হত্যাকাণ্ড মামলায় হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ড বহাল করে ২ জন জেএমবি সদস্যের, অন্যদের খালাস দেয়। বিচারপতি জাফর আহমেদ ও সাথিকা হোসেনের বেঞ্চ রায় ঘোষণা করেছেন
রংপুরের কাউনিয়া থানায় মাজার শরিফের খাদেম রহমত আলীর গলা কেটে হত্যার মামলায় হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ড বহাল করে ২ জন জেএমবি সদস্যের। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের বেঞ্চে এই রায় ঘোষণা করা হয়। মৃত্যুদণ্ড বহাল দু’জন হলেন মাসুদ রানা ও লিটন মিয়া। অন্যদের মধ্যে ৫ জন জেএমবি সদস্যকে খালাস দেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুরের কাউনিয়া মাজার খাদেম রহমত আলীর হত্যাকাণ্ড মামলায় হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ড বহাল করে ২ জনের
- 📌 মৃত্যুদণ্ড বহাল: মাসুদ রানা ও লিটন মিয়া
- 📌 খালাস: বিজয়, চান্দু, ইসাহাক, সাখাওয়াত ও সরোয়ার
- 📌 মামলাটি ২০১৮ সালে বিশেষ জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকারের রায়ের পর হাইকোর্টে শুনানি হয়
- 📌 রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আল আমীন সিদ্দিকী
📰 বিস্তারিত
২০১৫ সালের ১০ই নভেম্বর রাতে রংপুরের মাজার শরিফের খাদেম রহমত আলীকে গলা কেটে হত্যা করে জেএমবি সদস্যরা। এই হত্যাকাণ্ডে নিহতের ছেলে অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় মামলা করেন। ২০১৮ সালের ১৮ই মার্চ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। পরে হাইকোর্টে এই মামলাটি শুনানি হয় এবং রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের বেঞ্চ মৃত্যুদণ্ড বহাল করে ২ জনের এবং ৫ জনকে খালাস দেয়।
"রহমত আলীর হত্যাকাণ্ডে জেএমবি সদস্যদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের দাবি ছিল মৃত্যুদণ্ড। হাইকোর্টের বেঞ্চ মৃত্যুদণ্ড বহাল করে দু’জনকে, অন্যদের খালাস দেয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর, কাউনিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাসুদ রানা, লিটন মিয়া, বিচারপতি জাফর আহমেদ, বিচারপতি সাথিকা হোসেন, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আল আমীন সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম, বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৫ জন খালাস, ৭ আসামি, ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর, ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!