📅 ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রংপুরে মাজার খাদেম হত্যা মামলায় জেএমবি নেতা দুজনকে মৃত্যুদণ্ড বহাল, পাঁচজন খালাস পেলেন হাইকোর্ট

রংপুরে মাজার খাদেম হত্যা মামলায় জেএমবি নেতা দুজনকে মৃত্যুদণ্ড বহাল, পাঁচজন খালাস পেলেন হাইকোর্ট

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রংপুরে মাজার খাদেম রহমত আলীর হত্যা মামলায় হাইকোর্ট জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) দুজন নেতাকে মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে। পাঁচজন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। মামলায় ২০১৫ সালে খাদেমের ছেলে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন

রংপুরে মাজার খাদেম রহমত আলীর (৬০) হত্যা মামলায় হাইকোর্টের বেঞ্চ জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) এর দুজন নেতাকে মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে। মামলায় অভিযুক্ত সাতজন আসামির মধ্যে পাঁচজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথীকা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) এই রায় দিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রংপুরে মাজার খাদেম রহমত আলীর হত্যা মামলায় জেএমবির দুজন নেতা (মাসুদ রানা ওরফে মামুন ও লিটন মিয়া ওরফে রফিক) মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে হাইকোর্ট
  • 📌 পাঁচজন আসামি (ইছাহাক আলী, সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রাহুল, সরওয়ার হোসেন সাবু ওরফে মিজান, বিজয় ওরফে মো. মহাদ্দেস আলী ওরফে দরজি, চান্দু মিয়া) খালাস পেয়েছেন
  • 📌 ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রংপুরের কাউনিয়া থানার মধুপুর ইউনিয়নে খাদেমের হত্যা মামলায় ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ রংপুরের বিশেষ জজ আদালত মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিল
  • 📌 মামলায় অভিযুক্ত বিজয় ওরফে মো. মহাদ্দেস আলী আসলে মৃত ২০১৬ সালের টাঙ্গাইলের মামলার আসামি, আদালত ভুল পরিচয় শনাক্ত করে খালাস দিয়েছে
  • 📌 রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আল আমীন সিদ্দিকী জানান, চার আসামির স্বীকারোক্তিতে জেএমবি সদস্যপদের প্রমাণ পাওয়া গেছে

📰 বিস্তারিত

২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে রংপুরের কাউনিয়া থানার মধুপুর ইউনিয়নের চৈতার মোড়ে মাজার শরিফের খাদেম রহমত আলীকে হত্যা করা হয়। পরদিন তাঁর ছেলে মো. শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ রংপুরের বিশেষ জজ আদালত সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও ছয়জনকে খালাস দিয়েছিল।

হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় মামলাটি ২০১৮ সালে পৌঁছায়। আসামিরা মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল ও জেল আপিল করেন। শুনানির শেষে বিচারপতি জাফর আহমেদ ও সাথীকা হোসেনের বেঞ্চ মাসুদ রানা ও লিটন মিয়ার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। পাঁচজন আসামির ক্ষেত্রে ডেথ রেফারেন্স নাকচ করে খালাসের রায় দেন।

মামলায় অভিযুক্ত বিজয় ওরফে মো. মহাদ্দেস আলীকে আদালত খালাস দিয়েছে। তাঁর আইনজীবী শাহ নেওয়াজ জানান, বিজয় আসলে ২০১৬ সালের টাঙ্গাইলের এক মামলায় বন্দুকযুদ্ধে মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তি। আদালতে তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্র ও চারিত্রিক সনদ দাখিল করে ভুল পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।

"সাত আসামি জেএমবি সদস্য, যা চার আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসেছে।" — সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আল আমীন সিদ্দিকী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রংপুরের কাউনিয়া থানা, মধুপুর ইউনিয়ন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি জাফর আহমেদ, বিচারপতি সাথীকা হোসেন, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আল আমীন সিদ্দিকী, আইনজীবী শাহ নেওয়াজ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৫ জন খালাস, ৬০ বছর বয়সী খাদেম রহমত আলী

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖