📌 রংপুরে চার খুনির ঘটনায় স্বাক্ষী শান্ত দাস আদালতে মাদকব্যবসার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। বিচারক রফিকুল ইসলামের সামনে তিনি জানান, খুনিরা তার কাছ থেকে মোবাইল বন্ধক রেখে ইয়াবা কিনেছিল। পুলিশ জানায়, শান্তের মাদকব্যবসার অভিযোগ থাকলেও তাকে গ্রেফতার করা হয়নি
রংপুর মহানগর আদালত-২-এ মাদকব্যবসার অভিযোগে স্বাক্ষী শান্ত দাসের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ঘটনায় চারজন খুনির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের সাথে তার সম্পর্কের কথা তিনি বিচারক রফিকুল ইসলামের সামনে উন্মোচন করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬ সেপ্টেম্বর রংপুর মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এ শান্ত দাস মাদকব্যবসার অভিযোগে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
- 📌 খুনিরা ২১ আগস্ট রাতে তার কাছ থেকে মোবাইল বন্ধক রেখে ৫টি ইয়াবা কিনেছিলেন।
- 📌 সিদ্ধার্থ দাস ৩ হাজার ৫০০ টাকা দিয়েছিলেন মোবাইল বন্ধক হিসেবে। পরদিন বিকেলে টাকা দিয়ে মোবাইল ফিরিয়ে নিয়েছিলেন।
- 📌 পুলিশ জানায়, শান্তের মাদকব্যবসার অভিযোগ থাকলেও তাকে গ্রেফতার করা হয়নি।
- 📌 ২৩ আগস্ট সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাসকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তারা ১৬৪ ধারা অনুসারে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।
📰 বিস্তারিত
রংপুরে মাছূয়াপাড়ায় ২১ আগস্ট রাতে চারজন খুনির ঘটনা ঘটে। জিলা স্কুলের শিক্ষক গণমতি চক্রবর্তী জুয়েল, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, কন্যা আগামী চক্রবর্তী এবং পুত্র আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়ম নিহত হন। এই ঘটনায় সিদ্ধার্থ দাস এবং মুগ্ধ দাসকে ২৩ আগস্ট গ্রেফতার করা হয়। তারা আদালতে খুনের স্বীকারোক্তি দিয়েছিলেন।
স্বাক্ষী শান্ত দাসের জবানবন্দিতে জানা যায়, খুনিরা তার কাছ থেকে মোবাইল বন্ধক রেখে ইয়াবা কিনেছিল। তিনি জানান, সিদ্ধার্থ দাসের কাছ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা পেয়েছিলেন মোবাইল বন্ধক হিসেবে। পরদিন বিকেলে সিদ্ধার্থ টাকা দিয়ে মোবাইল ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। এই টাকা গণপতির বাসা থেকে লুট করেছিল তারা।
বিচারক রফিকুল ইসলামের সামনে শান্ত দাসের জবানবন্দি অনুষ্ঠিত হয়। পুলিশ জানায়, শান্তের মাদকব্যবসার অভিযোগ থাকলেও তাকে গ্রেফতার করা হয়নি। তবে তিনি সেবনের সাথে জড়িত ছিলেন।
"২১ আগস্ট রাতে তিন ধাপে ৫টি ইয়াবা কিনেন তারা। সিদ্ধার্থ ৩ হাজার ৫০০ টাকায় মোবাইল বন্ধক রেখে ইয়াবাগুলো কিনেন। পরদিন বিকেলে টাকা দিয়ে মোবাইল ফিরিয়ে নিয়েছিল সিদ্ধার্থ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর মহানগর, মাছূয়াপাড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শান্ত দাস, সিদ্ধার্থ দাস, মুগ্ধ দাস, বিচারক রফিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ (আগস্ট), ৫ (ইয়াবা), ৩ হাজার ৫০০ (টাকা), ২৩ (আগস্ট), ১৬৪ (ধারা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!