📌 রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় নকশা বহির্ভূত ভবন নির্মাণের অভিযোগে দায়ের করা দুদকের মামলায় আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে রায় ঘোষণা স্থগিত করেছেন। আগামী ৬ অক্টোবর নতুন তারিখে যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য পুনরায় দিন ধার্য করা হয়েছে
ঢাকা: সাভারের রানা প্লাজা ধসে নিহতদের পরিবারের জন্য এখনও বিচার প্রক্রিয়া অধরা রয়ে গেছে। নকশা বহির্ভূত ভবন নির্মাণের অভিযোগে দায়ের করা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় নির্ধারিত রায় ঘোষণা স্থগিত করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বিচারপতি বি. এম. তারিকুল কবীরের আদালতে রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। তবে বিচারক স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটি রায়ের তালিকা থেকে প্রত্যাহার করে আগামী ৬ অক্টোবর নতুন তারিখে যুক্তিতর্ক শুনানির নির্দেশ দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে রানা প্লাজা দুর্নীতি মামলায় রায় ঘোষণা স্থগিত করেছেন
- 📌 আগামী ৬ অক্টোবর নতুন তারিখে যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য পুনরায় দিন ধার্য
- 📌 মামলায় আসামি রয়েছেন ভবনের মালিক সোহেল রানা সহ ১৭ জন
- 📌 ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা ধসে ১ হাজার ১৩৬ জন নিহত হন
📰 বিস্তারিত
রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় ভবন নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দুদক কর্তৃক দায়ের করা মামলাটির বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন ধরে চলমান। আদালত সূত্রে জানা যায়, বিচারক নিজ উদ্যোগেই মামলাটি রায়ের তালিকা থেকে প্রত্যাহার করে পুনরায় যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য আগামী ৬ অক্টোবর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। এর আগে মামলাটির বিচার চলাকালে সোহেল রানার বাবা-মা মৃত্যুবরণ করায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভার বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন রানা প্লাজা ধসে ১ হাজার ১৩৬ জন নিহত এবং দেড় হাজারের বেশি মানুষ আহত হন। ওই ঘটনার পর ভবন নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। ২০১৪ সালের ১৫ জুন দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক এস. এম. মফিদুল ইসলাম সাভার থানায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ভবনটির প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনায় সোহেল রানার সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হওয়ায় পরে অভিযোগপত্রে তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ২০০৬ সালে রানা প্লাজার সাততলা শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণের নকশা অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে ২০০৮ সালে ভবনের ওপর আরও চারতলা নির্মাণের অনুমতি চাওয়া হয়। শপিং কমপ্লেক্স হিসেবে অনুমোদন পেলেও পরবর্তীতে ভবনটিতে পাঁচটি তৈরি পোশাক কারখানা পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়, যা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম হিসেবে উঠে আসে।
"বিচারক স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটি রায়ের তালিকা থেকে প্রত্যাহার করে অধিকতর যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য আগামী ৬ অক্টোবর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন। কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে নয়, বরং বিচারক নিজ উদ্যোগেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি বি. এম. তারিকুল কবীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার ১৩৬ জন নিহত, ১৭ জন আসামি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!