📌 জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ১৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতারণা, মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেছেন জুলাই যোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন। আদালত সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন
প্রতারণা, মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ১৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন জুলাই যোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালত মামলার বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ১৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতারণা, মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা
- 📌 মামলাটি দায়ের করেছেন জুলাই যোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন
- 📌 আদালত সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন
- 📌 অভিযোগে বলা হয়েছে, কর্মকর্তারা গিয়াস উদ্দিনকে চেকের কথা বলে প্রতারণা করেছেন
- 📌 গিয়াস উদ্দিনকে মারধর করে অজ্ঞান করে ফেলা হয়েছিল বলে অভিযোগ
📰 বিস্তারিত
জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা গিয়াস উদ্দিনকে চেকের কথা বলে প্রতারণা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গিয়াস উদ্দিন জানান, তিনি জুলাই ফাউন্ডেশন থেকে চেক গ্রহণ করতে যান। কিন্তু কর্মকর্তারা তাকে বারবার ঘুরিয়ে দেন। পরবর্তীতে তারা তাকে জানান, চেকের ৩ লাখ টাকার ৫০ শতাংশ অর্থাৎ দেড় লাখ টাকা দিলে তখনই ব্যাংক থেকে ক্যাশ করে চেকটি দেওয়া হবে। গিয়াস উদ্দিন তা প্রত্যাখ্যান করলে কর্মকর্তারা তাকে মারধর করেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী ইয়ামিন মিয়া জানান, কর্মকর্তারা গিয়াস উদ্দিনকে গোপন কক্ষে নিয়ে মারধর করেন। সেখানে প্রিন্স ও সাগর তার দুই হাত ধরে রাখেন। শাহিদ ও সায়েম তাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন। তাকে রডের সঙ্গে মাথা ঠুকিয়ে দেওয়া হয়। ফলে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। পরে কর্মকর্তারা তাকে সুস্থ করেন এবং তাকে ফাউন্ডেশন থেকে বের করে দেন।
গিয়াস উদ্দিনের ছেলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মামলাটি গ্রহণ করে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
"আমি জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে চেক গ্রহণ করতে যাই। কিন্তু কর্মকর্তারা আমাকে বারবার ঘুরিয়ে দেন। তারা আমাকে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করেন। পরে তারা আমাকে মারধর করে অজ্ঞান করে ফেলেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গিয়াস উদ্দিন (জুলাই যোদ্ধা), হারুন অর রশীদ, ইয়াছিন মোল্লা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ (কর্মকর্তা), ৩ (মে), ৩ লাখ টাকা, ৫০ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!