📌 রংপুরে গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। নতুন তথ্যের সত্যতা যাচাই ও জবানবন্দির সঙ্গে সামঞ্জস্য খুঁজতে তিন সদস্যের দল আদালতের অনুমতিতে কারাগারে যায়
রংপুরে গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ও দুই সন্তান আগামী ও আয়ুশ চক্রবর্তীকে হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। আজ মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবির পুলিশ পরিদর্শক জিন্নাত আলীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের চার সদস্যের হত্যাকাণ্ডের মামলায় আসামিদের জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু
- 📌 নতুন তথ্যের সত্যতা যাচাই ও জবানবন্দির সঙ্গে সামঞ্জস্য খুঁজতে আদালতের অনুমতিতে কারাগারে যান পুলিশ কর্মকর্তারা
- 📌 বিচারক রফিকুল ইসলাম আসামিদের জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন
- 📌 আগামী তিন দিনের মধ্যে যেকোনো দুই দিন প্রতিদিন তিন ঘণ্টা করে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি
- 📌 আসামিদের জবানবন্দিতে ইয়াবা সেবনের উল্লেখ থাকলেও ডোপ টেস্টে মাদকের আলামত পাওয়া যায়নি
📰 বিস্তারিত
রংপুর জেলগেটে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের চার সদস্যের হত্যাকাণ্ডের মামলায়। গতকাল সোমবার রংপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক রফিকুল ইসলাম আসামিদের জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন। তিন দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হলেও আদালত আগামী তিন দিনের মধ্যে যেকোনো দুই দিন তাঁদের প্রতিদিন তিন ঘণ্টা করে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবির পুলিশ পরিদর্শক জিন্নাত আলীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল আদালতের অনুমতির পর কারাগারে যায়। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নতুন পাওয়া তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং আসামিদের ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দির সঙ্গে এসব তথ্যের সামঞ্জস্য আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মহানগর ডিবির উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেওয়ার পর আসামিদের রিমান্ডে নেওয়ার আইনগত সুযোগ না থাকলেও নতুন তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব নেওয়া ও নতুন তথ্য পাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আদালত জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন।
গণপতি চক্রবর্তী ছিলেন রংপুর জিলা স্কুলের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তিনি অবসরে যান। অবসরের পর তিনি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা দিতেন। ২২ আগস্ট রাতে তাঁর পরিবারের চার সদস্যের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে গণপতির বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
‘তদন্ত তো চলছেই। আমরা বসে নেই। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ — মহানগর ডিবির উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগার, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিদ্ধার্থ দাস, মুগ্ধ দাস, গণপতি চক্রবর্তী, প্রীতিলতা চক্রবর্তী, আগামী চক্রবর্তী, আয়ুশ চক্রবর্তী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬৪ (ধারা), ২২ (আগস্ট), ৩ (দিন), ৩ (ঘণ্টা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!