📌 গত ২৬ আগস্ট নেপালের ত্রিশুলি উপত্যকায় হিমবাহ ভাঙনের ফলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় অন্তত দুই হাজার ৫০০ ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। ইউরোপের কোপার্নিকাস পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার দুই-তৃতীয়াংশ স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: গত ২৬ আগস্ট নেপালের ত্রিশুলি উপত্যকায় হিমবাহ ভাঙনের ফলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় অন্তত দুই হাজার ৫০০ ভবন সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। ইউরোপের কোপার্নিকাস পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ত্রিশুলি উপত্যকায় দুই হাজার ৫০০টির বেশি ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে
- 📌 ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার দুই-তৃতীয়াংশ স্থাপনা বিধ্বস্ত হয়েছে
- 📌 প্রায় ছয় হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বসবাস করতেন
- 📌 হিমবাহ ভাঙনের ফলে সৃষ্ট প্রবল স্রোত তিব্বত সীমান্ত অতিক্রম করে নেপালে প্রবেশ করে
📰 বিস্তারিত
হিমালয়ের একটি বিশাল হিমবাহ ধসে পড়ার কারণে নেপালের ত্রিশুলি উপত্যকায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। বিজ্ঞানীদের মতে, হিমবাহ থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে প্রবল স্রোত সৃষ্টি হয়, যা চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বতের সীমান্তসংলগ্ন গিরং সীমান্ত চৌকি অতিক্রম করে নেপালে প্রবেশ করে। এতে ত্রিশুলি উপত্যকার তিমুরে, স্যাব্রুবেশি ও বিদুর শহরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
তিমুরে শহরের প্রায় ৮০ শতাংশ ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। শহরটির ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত স্যাব্রুবেশি এলাকায় তিন-চতুর্থাংশ ভবন বিধ্বস্ত হয়েছে। গ্রামটি বিখ্যাত লাংটাং ট্রেকের শুরুস্থান হিসেবে পরিচিত। এছাড়া নুওয়াকোট জেলার প্রশাসনিক কেন্দ্র বিদুরের আশপাশের এলাকায় এক হাজার ৮০০টির বেশি ভবন ধ্বংস হয়েছে।
বন্যায় শুধু ভবন নয়, সড়ক ও সেতুও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে ত্রাণ সরবরাহ ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের অনুসন্ধান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রায় ছয় হাজার মানুষ বসবাস করতেন বলে জানা গেছে।
"হিমবাহ ভাঙনের ফলে সৃষ্ট প্রবল স্রোত তিব্বত সীমান্ত অতিক্রম করে নেপালে প্রবেশ করে। এর ফলে ত্রিশুলি উপত্যকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ দেখা দেয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ত্রিশুলি উপত্যকা, নেপাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিজ্ঞানীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই হাজার ৫০০ ভবন ধ্বংস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!