📅 ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

র‌্যাব-৬ খুলনার সন্ত্রাসী শুটার আরমানকে গ্রেপ্তার করেছে, জব্দ করেছে তিনটি অস্ত্র ও গোলাবারুদ

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: হুমায়ুন কবির হুমায়ুন কবির
র‌্যাব-৬ খুলনার সন্ত্রাসী শুটার আরমানকে গ্রেপ্তার করেছে, জব্দ করেছে তিনটি অস্ত্র ও গোলাবারুদ

📷 ছবি: বাসস

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 BSS ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খুলনা মহানগরীর সন্ত্রাসী গ্রুপ 'আরমান বাহিনী'র প্রধান শুটার আরমান হোসেন দীপুকে (৩৫) র‌্যাব-৬ গ্রেপ্তার করেছে। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি শট গান এবং ১২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে

খুলনা মহানগরী ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী সন্ত্রাসী গ্রুপ 'আরমান বাহিনী'র প্রধান শুটার আরমান হোসেন দীপু ওরফে আরমিনকে (৩৫) অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ র‌্যাব-৬ গ্রেপ্তার করেছে। তাকে সোমবার রোববার রাতে ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরবর্তীতে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানে ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি শট গান ও ১২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 খুলনা জেলার দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা এলাকার আরমান হোসেন দীপু ছিল 'আরমান বাহিনী' নামক সন্ত্রাসী গ্রুপের নেতা।
  • 📌 তার বিরুদ্ধে ছয়টি হত্যাসহ দৌলতপুরের বিদ্যুৎ অফিসের মসজিদে গুলি চালিয়ে দুইজন মুসল্লিকে হত্যা প্রচেষ্টার মামলা রয়েছে।
  • 📌 আরমান স্বীকার করেছে যে গত ১৭ জুন দৌলতপুর মসজিদে প্রবেশ করে দুই মুসল্লিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টা করেছে।
  • 📌 তার গ্রুপ দৌলতপুর ও আড়ংঘাটা এলাকায় ৮-১০ জনের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করে চাঁদাবাজি, অস্ত্র প্রদর্শন ও হুমকি প্রদান করে আসছিল।
  • 📌 সে সৌদি ও মালয়েশিয়া থেকে আন্তর্জাতিক নম্বর ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপে ব্যবসায়ীদের মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করত এবং না দিলে ব্যবসা বন্ধ বা প্রাণনাশের হুমকি দিত।

📰 বিস্তারিত

র‌্যাব-৬ এর উপ অধিনায়ক মো. নাজমুল ইসলাম সোমবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান। আরমান খুলনা জেলার দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা এলাকার মো. আসাদুজ্জামান ওরফে মিন্টুর ছেলে। তার বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরমান জানিয়েছে যে তার সন্ত্রাসী দল দৌলতপুর ও আড়ংঘাটা এলাকায় ৮-১০ জনের একটি অপারেটিং ইউনিট হিসেবে কাজ করত। এই দলটি চাঁদাবাজি, অস্ত্র প্রদর্শন এবং ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে হুমকিমূলক কার্যক্রম সংগঠিত করে আসছিল। তার গ্রুপের মধ্যে ইতোমধ্যে তিনজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আরমান এর আগে খুলনার অপর শীর্ষ সন্ত্রাসী হুমায়ুন কবির ওরফে হুমা গ্রুপের সদস্য ছিল। পরে সেই গ্রুপ থেকে বেরিয়ে এসে তার নিজের নামে 'আরমান বাহিনী' নামক সন্ত্রাসী সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে। তার পূর্ব অপরাধ রেকর্ড পর্যালোচনা করে মামুন মোল্লা, মারজান মুন্না, কালা রানা, ঘাউড়া রাজিব, যুবদল নেতা রাশু এবং মনিরুল ইসলাম রনি হত্যার মামলা সহ একাধিক চাঞ্চল্যকর হত্যা ও হত্যাচেষ্টার মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।

"গত ১৭ জুন দৌলতপুরে মসজিদে প্রবেশ করে দুই মুসল্লিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় সে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিল।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খুলনা জেলার দৌলতপুর থানা, মহেশ্বরপাশা এলাকা এবং আড়ংঘাটা; গ্রেপ্তারের স্থান — ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী থানা
  • 👥 মূল ব্যক্তি: শুটার আরমান হোসেন দীপু ওরফে আরমিনকে (৩৫), র‌্যাব-৬ এর উপ অধিনায়ক মো. নাজমুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: জব্দকৃত ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি শট গান, ১২ রাউন্ড গুলি; ৮-১০ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী; ছয়টি হত্যার মামলা; তিনজন ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖