📌 ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাসের ছবিতে সন্ত্রাসী মন্তব্য করার অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবক আবু বকর সিদ্দিক (২২) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। রিমান্ড শেষে তিনি সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায় স্বীকার করেছেন
ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বাসের ছবি পোস্টের মন্তব্যে সন্ত্রাসী মন্তব্য করার অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবক আবু বকর সিদ্দিক (২২) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। সাত দিনের রিমান্ড শেষে রোববার আদালতে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দায় স্বীকার করেছেন এবং পরবর্তীতে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ পেয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাসের ছবিতে ‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিলো’ মন্তব্য করার অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবক আবু বকর সিদ্দিক (২২) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
- 📌 রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে আসামি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন, তবে তদন্তের স্বার্থে এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
- 📌 গ্রেপ্তারের সময় আসামির ব্যবহৃত ফোন জব্দ করা হয়, যেখানে বিভিন্ন ফেসবুক পেজে আপত্তিকর মন্তব্য করার তথ্য পাওয়া গেছে।
- 📌 আসামির বাবা মো. আয়নাল হককে প্রাথমিক তদন্তে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
- 📌 মামলায় আসামির কোনো রাজনৈতিক পদ-পদবি থাকার তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
📰 বিস্তারিত
গত ২১ অক্টোবর ‘দ্য বিউটি অব রাজশাহী’ নামের ফেসবুক গ্রুপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বাসের তিনটি ছবি পোস্ট করা হয়। পোস্টের শিরোনামে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য লাল-সবুজ রঙের বুলেটপ্রুফ বাসের পরিবর্তে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) বাস ব্যবহারের বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। ওই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে ‘এমডি আবু বকর সিদ্দিক’ নামের ফেসবুক আইডি থেকে সন্ত্রাসী মন্তব্য করা হয়: ‘ইস একটা বড় সুযোগ ছিলো, শুধু একটা স্নাইপার এর অভাব ছিলো’।
তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) ইয়াছিন পাইক জানান, আসামি আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, তবে তদন্তের স্বার্থে এখনো প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, আসামিকে বেলা তিনটার দিকে আদালতে হাজির করা হয় এবং জবানবন্দি দিতে সম্মতি জানান।
মামলায় আসামি আবু বকর সিদ্দিক একমাত্র এজাহারভুক্ত ব্যক্তি। এ বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে যে, তাঁর কোনো রাজনৈতিক পদ-পদবি রয়েছে কিনা। গত ২৫ অক্টোবর আদালতে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়। রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে হত্যার চক্রান্তে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন। এ ঘটনার পেছনে কোনো সুসংগঠিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বা স্নাইপার সরবরাহকারী চক্রের জড়িত থাকার সম্ভাবনা অনুসন্ধান করা দরকার।
"ইস একটা বড় সুযোগ ছিলো, শুধু একটা স্নাইপার এর অভাব ছিলো"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত), রাজশাহী (পবা থানা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু বকর সিদ্দিক (২২), উপপরিদর্শক ইয়াছিন পাইক, ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ (আবু বকর সিদ্দিকের বয়স), ১৬৪ (ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা), ২৫ ও ২১ অক্টোবর (মামলার গুরুত্বপূর্ণ তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!