📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৩১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ট্রাইব্যুনালে পলাতক ও উপস্থিত আসামিদের বিচার: জামায়াত নেতার দাবি অসত্য বলে প্রসিকিউটর

ট্রাইব্যুনালে পলাতক ও উপস্থিত আসামিদের বিচার: জামায়াত নেতার দাবি অসত্য বলে প্রসিকিউটর

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন যে ট্রাইব্যুনালে শুধু পলাতক আসামিদের বিচার হয়। তিনি বলেছেন, উপস্থিত আসামিদের মামলাও শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এছাড়াও আদালত অবমাননার অভিযোগে আমার বাংলাদেশ পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে ৪ নভেম্বর ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের দাবি সম্পূর্ণ অসত্য বলে ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শুধু পলাতক আসামিদের বিচার হয় না, বরং উপস্থিত আসামিদের মামলাও বিচারাধীন রয়েছে এবং কিছু মামলা শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। রোববার ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের দাবি অসত্য বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম
  • 📌 ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত আসামিদের মামলাও বিচারাধীন এবং কিছু মামলা শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে
  • 📌 পলাতক আসামিদের মামলা দ্রুত শেষ হয়, কিন্তু উপস্থিত আসামিদের মামলায় সময় লাগে কারণ তারা আইনজীবীকে নির্দেশনা দিয়ে মামলা বিলম্বিত করেন
  • 📌 আদালত অবমাননার অভিযোগে আমার বাংলাদেশ পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে ৪ নভেম্বর ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
  • 📌 উপস্থিত আসামিদের মধ্যে রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান

📰 বিস্তারিত

ব্রিফিংয়ে একজন সাংবাদিক জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের দাবি তুলে ধরেন যে, ট্রাইব্যুনালে শুধু পলাতক আসামিদের বিচার হয়। তিনি বলেন, যাদের সাজা কার্যকর করা সম্ভব নয়, তাদের মামলা ট্রাইব্যুনালে বিচার করা হয়। প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার এই দাবিকে সম্পূর্ণ অসত্য বলে প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, ‘আপনি যেটা বলেছেন যে, একজন রাজনৈতিক নেতা বলেছেন ট্রাইব্যুনালে শুধু পলাতক আসামিদের বিচার হয়, উপস্থিত আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো রায় হচ্ছে না। আমরা এই কথাকে সম্পূর্ণ অসত্য মনে করি।’

প্রসিকিউটর বলেন, পলাতক আসামিদের বিচারে সাধারণত রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবীরা কাজ করেন এবং তারা প্রসিকিউশনের দেওয়া নথিপত্রের ওপর ভিত্তি করে মামলা পরিচালনা করেন। অন্যদিকে, উপস্থিত আসামিরা একাধিক আইনজীবীর মাধ্যমে মামলা পরিচালনা করেন এবং তারা বিভিন্নভাবে সময়ক্ষেপণ করেন। আসামি নিজে উপস্থিত থেকে আইনজীবীকে নির্দেশনা দেন, যার কারণে মামলা বিলম্বিত হয়। তিনি উল্লেখ করেন, ‘এই মানে নয় যে, এখানে কোনো উপস্থিত আসামির বিচার হচ্ছে না। এটি ঠিক নয়।’

প্রসিকিউটর আরও জানান, উপস্থিত আসামিদের মামলা শেষ হতে একটু সময় লাগে। তিনি বলেন, ‘পলাতক আসামিদের মামলাগুলো একটু দ্রুত শেষ হয়, কিন্তু উপস্থিত আসামির মামলাগুলো একটু লম্বা সময় ধরে বিচার চলে।’ তিনি উল্লেখ করেন, উপস্থিত আসামিদের মধ্যে রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান। তাদের মামলার বিচার শেষের দিকে রয়েছে।

"আপনি যেটা বলেছেন যে একজন রাজনৈতিক নেতা বলেছেন, ট্রাইব্যুনালে শুধু পলাতক আসামিদের বিচার হয়। উপস্থিত আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো রায় হচ্ছে না। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আমরা এই কথাকে সম্পূর্ণভাবে অসত্য মনে করি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, আসাদুজ্জামান ফুয়াদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ নভেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖