📅 ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পুলিশের ভুলে গ্রেপ্তার: নামের একটু পার্থক্য দেখে বীরগঞ্জের ৫৬ বছর বয়সী অফিস সহকারীকে মাদক মামলার আসামি মনে করে ধরে নিয়ে যায়

পুলিশের ভুলে গ্রেপ্তার: নামের একটু পার্থক্য দেখে বীরগঞ্জের ৫৬ বছর বয়সী অফিস সহকারীকে মাদক মামলার আসামি মনে করে ধরে নিয়ে যায়

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দিনাজপুরের কাহারোল থানার পুলিশ মাহাবুর ও মাহবুরের নামের একটু পার্থক্য দেখে বীরগঞ্জের মাহবুর রহমান (৫৬)কে মাদক মামলার আসামি মনে করে রাতের আঁধারে গ্রেপ্তার করে। জামিনে মুক্ত হলেও পরিবার ক্ষোভ প্রকাশ করে পুলিশের ভুলের জন্য অভিযোগ তুলেছে

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় পুলিশের ভুলে গ্রেপ্তার হয় বীরগঞ্জের একজন অফিস সহকারীকে। নামের একটু পার্থক্য দেখে মাহাবুর ও মাহবুরের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। মাহবুর রহমান (৫৬)কে মাদক মামলার আসামি মনে করে রাতের আঁধারে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন জামিনে মুক্ত হলেও পরিবার ক্ষোভ প্রকাশ করে পুলিশের ভুলের জন্য অভিযোগ তুলেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাহবুর রহমান (৫৬) নামের একটু পার্থক্য দেখে পুলিশ মাদক মামলার আসামি মনে করে গ্রেপ্তার করে
  • 📌 জগদল উচ্চবিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মাহবুরকে পুলিশ মাদক মামলার আসামিদের সঙ্গে রাখে
  • 📌 পুলিশের ওয়ারেন্টে মায়ের নাম না থাকায় প্রকৃত আসামির সাথে মিল দেখে ভুল ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়
  • 📌 মাহাবুর রহমানের বাড়ি থেকে মাহবুর রহমানের বাড়ি মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে — কিন্তু নামের পার্থক্য দেখে পুলিশ ভুল করে
  • 📌 নাঈম ইসলাম (২৫) ঢাকার বাসিন্দা, বাবার গ্রেপ্তারের খবর শুনে তাড়াতাড়ি বাড়ি আসেন
  • 📌 পুলিশের সদস্যরা মাহবুরকে আগে থেকেই চেনেন — কিন্তু গ্রেপ্তারের সময় সে কথা মনে হয়নি

📰 বিস্তারিত

রাত দুইটার দিকে ঘুম থেকে উঠে মাহবুর রহমান (৫৬) বাড়ির দরজা খুলতে যান। পুলিশের পরিচয় শুনে তিনি দরজা খুললেন। কিন্তু পুলিশের সদস্যরা তাঁকে চেক জালিয়াতির মামলায় গ্রেপ্তার করতে এসেছে বলে জানালে মাহবুর বললেন, তাঁর কোনো মামলা নেই। তাঁর কথায় কর্ণপাত না করে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। পরদিন বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরলেন মাহবুর।

মাহবুরের ছেলে নাঈম ইসলাম (২৫) ঢাকায় পড়ালেখা ও চাকরি করেন। বাবার গ্রেপ্তারের খবর শুনে তিনি তাড়াতাড়ি বাড়ি আসেন। নাঈম বলেন, ‘ফোনে শুনে মনে হয়েছিল বাবা অসুস্থ বা পৃথিবীতে নেই। অফিসে যোগাযোগ করে প্লেনের টিকিট কেটে বাড়ি এসেছি।’ নাঈম জানান, বাবাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে নেওয়ার সময় তাঁকে মাদক মামলার আসামিদের সঙ্গে রাখা হয়েছিল। এটা পরিবারের জন্য খুবই কষ্টের ও অপমানের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মামলার প্রকৃত আসামি মাহাবুর রহমান (৩২) কাহারোল উপজেলার পৌরিয়া গ্রামের সুধারুর মোড় এলাকার বাসিন্দা। তিনি ব্যবসায়ী সেলিম মঞ্জুর (৩৮)-এর কাছ থেকে সাত লাখ টাকা ধার নিয়ে ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছিলেন। টাকা পরিশোধ না করায় সেলিম দিনাজপুর আদালতে চেক জালিয়াতির মামলা করেন। ওয়ারেন্টে মাহাবুর রহমানের নাম, পিতার নাম ও আংশিক ঠিকানার মিল থাকায় পুলিশ ভুল ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে।

"আমরা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করব। কারণ, বাবার বয়স ৫৬ বছর আর প্রকৃত আসামির বয়স ৩২ বছর। পুলিশ চাইলে আরও যাচাই করে নিশ্চিত হতে পারত।"

কাহারোল থানার ওসি সেলিমুর রহমান বলেন, ওয়ারেন্টে মায়ের নাম বা ফোন নম্বর না থাকায় প্রকৃত আসামির সাথে মিল দেখে ভুল ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘প্রকৃত আসামির নাম, পিতার নাম ও ঠিকানার সঙ্গে মিল থাকায় এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। ওয়ারেন্টের কাগজে মায়ের নাম কিংবা কোন ধরনের ফোন নম্বর থাকে না। এ কারণে অধিকতর যাচাই-বাছাই সম্ভব হয়নি।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কাহারোল উপজেলা, দিনাজপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহবুর রহমান (৫৬), নাঈম ইসলাম (২৫), সেলিমুর রহমান (ওসি), সেলিম মঞ্জুর (৩৮)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৬ বছর (মাহবুরের বয়স), ৩২ বছর (প্রকৃত আসামির বয়স), ২৫ বছর (নাঈমের বয়স), ৭ লাখ টাকা (ধার নেওয়া টাকা), ২ কিলোমিটার (দুই বাড়ির দূরত্ব)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖