📌 বাংলালিংক ও দুটি আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ৯৯ জন প্রকৌশলী ও কর্মী শ্রম আদালতে মামলা করেছেন। তারা দাবি, এক যুগ ধরে স্থায়ী প্রকৃতির কাজ করলেও তিন মাসের চুক্তি নবায়ন করে অস্থায়ী কর্মী হিসেবে রাখা হচ্ছে। বেতন বৃদ্ধি, ছুটির মজুরি ও ওভারটাইমের পাওনা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে
বাংলাদেশের শীর্ষ মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেডের বিরুদ্ধে ৯৯ জন প্রকৌশলী ও কর্মী শ্রম আইনের লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন। তারা দাবি, এক যুগ ধরে স্থায়ী প্রকৃতির কাজ করলেও প্রতিষ্ঠানটি তাদেরকে তিন মাসের চুক্তি নবায়ন করে অস্থায়ী কর্মী হিসেবে রাখা হচ্ছে। এতে তারা নিয়মিত কর্মীদের মতো সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৯৯ জন প্রকৌশলী ও কর্মী** বাংলালিংক ও দুটি আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে মামলা করেছেন
- 📌 **৭ থেকে ৯ বছর ধরে** স্থায়ী প্রকৃতির কাজ করলেও তাদেরকে **তিন মাসের চুক্তি নবায়ন** করে অস্থায়ী কর্মী হিসেবে রাখা হচ্ছে
- 📌 **বেতন বৃদ্ধি, ছুটির মজুরি ও ওভারটাইমের পাওনা** থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে
- 📌 **২০১৭ সাল থেকে** সার্চলাইট কমিউনিকেশনসের মাধ্যমে বিএসএস অফিসার হিসেবে কাজ করছেন মো. রফিকুল ইসলাম
- 📌 **গত ২৫ জুন** শ্রম আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে বাংলালিংক, ফ্রন্ট ডেস্ক বাংলাদেশ ও সার্চলাইট কমিউনিকেশনস লিমিটেডের বিরুদ্ধে
📰 বিস্তারিত
বাংলালিংকের ৯৯ জন প্রকৌশলী ও কর্মী দাবি করছেন, তারা **এক যুগ ধরে** প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্ক পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও সংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত হলেও স্থায়ী কর্মী হিসেবে স্বীকৃতি পাননি। প্রতিষ্ঠানটি তাদেরকে **আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান** ফ্রন্ট ডেস্ক বাংলাদেশ লিমিটেড ও সার্চলাইট কমিউনিকেশনস লিমিটেডের মাধ্যমে নিয়োগ দিয়ে **তিন মাসের চুক্তি নবায়ন** করে অস্থায়ী কর্মী হিসেবে রাখা হয়েছে। এতে তারা নিয়মিত কর্মীদের মতো সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
ভুক্তভোগী কর্মীদের মধ্যে একজন **মো. রফিকুল ইসলাম** বলেছেন, তিনি **২০১৭ সাল থেকে** সার্চলাইট কমিউনিকেশনসের মাধ্যমে বাংলালিংকে বিএসএস অফিসার হিসেবে কাজ করছেন। তিনি বলেন, “আমার কাজ প্রতিষ্ঠানের মূল ব্যবসায়িক কার্যক্রমের অংশ এবং স্থায়ী প্রকৃতির হলেও আমাকে এখনো আউটসোর্স কর্মী হিসেবে রাখা হয়েছে। স্থায়ী কর্মীদের তুলনায় সুযোগ-সুবিধায় বৈষম্যের শিকার হচ্ছি।”
অপর একজন ভুক্তভোগী **মো. মানিক উদ্দিন** বলেছেন, “৯ বছর ধরে আমরা স্থায়ী চাকরি করেও খাতা-কলমে অস্থায়ী হিসেবে রয়েছি। তিন মাসের কথা বলে ৯ বছর পার করেছে; তা-ও স্থায়ী নয়। এটা খুবই মানসিক চাপ। বাংলালিংক শ্রম আইনের অপব্যবহার করে আমাদের আউটসোর্স বানিয়ে রেখেছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।”
কর্মীদের অভিযোগ, অস্থায়ী নিয়োগের এই কাঠামোর কারণে তারা **বর্ষিক বেতন বৃদ্ধি, অর্জিত ছুটির মজুরি এবং অতিরিক্ত কাজের পারিশ্রমিক** থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। একই প্রতিষ্ঠানের জন্য বছরের পর বছর একই ধরনের কাজ করলেও নিয়োগের ধরন অস্থায়ী রেখে তাদের শ্রমিক অধিকার সীমিত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
"নেটওয়ার্ক অপারেশন স্পেশালিস্ট ইঞ্জিনিয়ার, রিজিওনাল অপারেশনস স্পেশালিস্ট ইঞ্জিনিয়ার, বিএসএস স্পেশালিস্ট ইঞ্জিনিয়ার — এই সব পদে স্থায়ী প্রকৃতির কাজ করলেও আমাদেরকে অস্থায়ী কর্মী হিসেবে রাখা হচ্ছে। এতে শ্রম আইনের লঙ্ঘন হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রফিকুল ইসলাম, মো. মানিক উদ্দিন, ৯৯ জন প্রকৌশলী ও কর্মী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৯ জন কর্মী; ৭-৯ বছর কাজ; ২০১৭ সাল থেকে নিয়োগ; ২৫ জুন মামলা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!