📌 ক্যানসার আক্রান্ত মা সন্ধ্যা রাণীর শেষকৃত্যে অংশ নিতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে প্যারোলে মুক্তি দিয়েছে। মা ও শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ৭০ বছর বয়সী সন্ধ্যা রাণী। চিন্ময় কৃষ্ণের প্রকৃত নাম চন্দন কুমার ধর, যিনি ইসকনের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ ছিলেন
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মা সন্ধ্যা রাণীর শেষকৃত্যে অংশ নিতে এসেছেন কারাবন্দি চিন্ময় কৃষ্ণ দাস। ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া মা সন্ধ্যা রাণীর শেষকৃত্যে অংশ নিতে চিন্ময় কৃষ্ণের বড়ো ভাই অঞ্জন কুমার ধরের আবেদন পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন অনুমোদন দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা চিন্ময় কৃষ্ণের মুক্তির বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১০ সেপ্টেম্বর দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে প্যারোলে মুক্তি দিয়েছে মা সন্ধ্যা রাণীর শেষকৃত্যে অংশ নিতে।
- 📌 মা ও শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭০ বছর বয়সী সন্ধ্যা রাণী ৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা ৩৪ মিনিটে হাটহাজারীর শ্রীশ্রী পুণ্ডরীক ধাম আশ্রমে মৃত্যুবরণ করেন।
- 📌 চিন্ময় কৃষ্ণের প্রকৃত নাম চন্দন কুমার ধর। তিনি ইসকনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও পুণ্ডরীক ধাম মন্দিরের অধ্যক্ষ ছিলেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত।
- 📌 ২৫ নভেম্বর ২০২৪ ঢাকা থেকে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে চিন্ময় কৃষ্ণকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন আদালতে জামিন আবেদন নাকচ করে দেওয়া হয়।
- 📌 আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের হত্যার ঘটনায় ৩১ জনের নামে হত্যা মামলা করা হয়। এছাড়াও হত্যাচেষ্টা, হামলা, সরকারি কাজে বাধা, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলা এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
সন্ধ্যা রাণী ধর দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। চট্টগ্রামের মা ও শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শরীরে ক্যানসার শনাক্ত হয়। তবে তিনি হাসপাতালে থাকতে চাইছিলেন না। ছেলের আশ্রমেই জীবনের শেষ সময় কাটানোর ইচ্ছা ছিল তার। সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বড়ো ভাই অঞ্জন কুমার ধরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন প্যারোলে মুক্তির অনুমোদন দিয়েছে।
২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর ঢাকা থেকে চিন্ময় কৃষ্ণকে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন চট্টগ্রামের আদালতে হাজির করা হলে তার জামিন আবেদন নাকচ করে দেন আদালত। সে সময় তার অনুসারীদের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষের মধ্যে আদালতসংলগ্ন এলাকায় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে ৩১ জনের নামে হত্যা মামলা করেন। পরে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে ওই মামলায়ও চিন্ময়কে গ্রেফতার দেখানো হয়। এ ছাড়া হত্যাচেষ্টা, হামলা, সরকারি কাজে বাধা, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলা এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশের করা তিনটি এবং আলিফের ভাইয়ের করা একটি মামলাসহ আরও কয়েকটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
"বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা তার মুক্তির বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, হাটহাজারী শ্রীশ্রী পুণ্ডরীক ধাম আশ্রম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চিন্ময় কৃষ্ণ দাস (চন্দন কুমার ধর), মা সন্ধ্যা রাণী ধর, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, অঞ্জন কুমার ধর, আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ বছর (সন্ধ্যা রাণীর বয়স), ৯:৩৪ (মৃত্যু সময়), ১০ সেপ্টেম্বর (প্যারোল তারিখ), ২৫ নভেম্বর ২০২৪ (গ্রেফতার তারিখ), ৩১ জন (মামলায় অভিযুক্ত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!