📌 ঠাকুরগাঁওতে চাঁদা দাবিতে বখাটেরা সালেকিন ফেরদৌসের হাতে ৯২টি সেলাই করেছে। আহত ব্যক্তিকে ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মামলায় চারজন আসামি উল্লেখ করা হয়েছে
ঠাকুরগাঁও শহরে চাঁদা দাবিতে বখাটেরা সালেকিন ফেরদৌসের ওপর তাণ্ডব চালিয়ে তাঁর হাতে ৯২টি সেলাই করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঘটনায় আহত ব্যক্তির বোন সদর থানায় মামলা করেছেন। পুলিশের তদন্ত চলছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা যায়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঠাকুরগাঁওতে চাঁদা দাবিতে সালেকিন ফেরদৌসের হাতে ৯২টি সেলাই করা হয়েছে, যার ফলে রগ ও লিগামেন্ট কেটে গেছে
- 📌 আসামিরা সালেকিনের বাম হাতের কবজিতে ধারালো ব্লেড দিয়ে আঘাত করে, পরে পালিয়ে যায়
- 📌 আহত সালেকিনকে ঢাকার শ্যামলীর অ্যালায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে
- 📌 মামলায় চারজন আসামি উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে দুজন পরিচিত — মো. রানা ও মো. সিয়াম
- 📌 সালেকিনের বোন শারমিন আখতার বলেছেন, আসামিরা আগেও চাঁদা দাবি করে হুমকি দিয়েছে
- 📌 পুলিশের ওসি মো. শাহজাহান আলী জানান, আসামিরা আত্মগোপনে রয়েছেন
📰 বিস্তারিত
ঠাকুরগাঁও শহরে স্কুল থেকে ফিরছিলেন সালেকিন ফেরদৌস। পথে চাঁদা দাবিতে বখাটেরা তাঁর ওপর তাণ্ডব চালায়। সালেকিন চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে আসামিরা তাঁর বাম হাতের কবজিতে ধারালো ব্লেড দিয়ে আঘাত করে। এতে সালেকিনের হাতের রগ, লিগামেন্ট ও পেশি কেটে গুরুতর জখম হয়। আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা অস্ত্র উঁচিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
স্বজনেরা সালেকিনকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকার শ্যামলীর অ্যালায়েন্স হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে অস্ত্রোপচার শেষে চিকিৎসকেরা তাঁর হাতে ৯২টি সেলাই দিয়েছেন।
মামলায় বাদী শারমিন আখতার বলেছেন, ‘আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে পঙ্গু করার চেষ্টা করা হয়েছে। আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা দাবি করে আমাদেরকে নিয়মিত হুমকি দিয়েছে। বখাটেদের ভয়ে আমরা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি।’
আহত সালেকিনের ভাই শামীম ফেরদৌস জানান, ‘আমার ভাইকে আঘাতকারীদের মধ্যে একজনের নামে দুটি হত্যা মামলা রয়েছে; কিন্তু পুলিশ এখনো তাঁকে গ্রেপ্তার করছে না।’
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজাহান আলী বলেন, ‘ঘটনার লিখিত অভিযোগ পেয়েই মামলা হিসেবে রূপান্তর করা হয়েছে। বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে। আসামিরা ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন। তাঁদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযানে নেমেছে।’
"আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে পঙ্গু করার চেষ্টা করা হয়েছে। আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা দাবি করে আমাদেরকে নিয়মিত হুমকি দিয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঠাকুরগাঁও শহর (পূর্ব গোয়ালপাড়া ও কলেজপাড়া এলাকা), ঢাকার শ্যামলীর অ্যালায়েন্স হাসপাতাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালেকিন ফেরদৌস (আহত), শারমিন আখতার (মামলাকারী), মো. শাহজাহান আলী (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯২টি সেলাই, ৫০ হাজার টাকা চাঁদা, ১৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থী ফাহমিদা (মাগুরা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!