📅 ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া: মাচা পদ্ধতিতে অসময়ে তরমুজ চাষে কৃষক ফিরোজের সাফল্য ও এলাকার সম্ভাবনা

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া: মাচা পদ্ধতিতে অসময়ে তরমুজ চাষে কৃষক ফিরোজের সাফল্য ও এলাকার সম্ভাবনা

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 নয়া দিগন্ত ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার কৃষক ফিরোজ হোসেন মাচা পদ্ধতিতে অসময়ে তরমুজ চাষ করে বাজারমূল্য অর্জনের সম্ভাবনা দেখিয়েছেন। ঢাকা অঞ্চলের কৃষি প্রকল্পের সহায়তায় ২০ শতক জমিতে চাষ করা এই তরমুজের ফলন এলাকার কৃষকদের উৎসাহিত করছে

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির মাধ্যমে অসময়ে মাচা পদ্ধতিতে তরমুজ চাষের সাফল্য দেখিয়েছেন কৃষক ফিরোজ হোসেন। ঢাকা অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বরুণ্ডি গ্রামের তার ২০ শতক জমিতে চাষ করা এই তরমুজের ফলন এলাকার কৃষকদের মধ্যে নতুন আশা জাগিয়ে তুলেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বরুণ্ডি গ্রামের কৃষক ফিরোজ হোসেন ২০ শতক জমিতে বাংলা লিংক (হাইব্রিড) জাতের তরমুজ চাষ করছেন মাচা পদ্ধতিতে অসময়ে
  • 📌 ১০ সেপ্টেম্বর দুপুরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ তানিয়া তাবাসসুম সরেজমিনে পরিদর্শন করে ফসলের অগ্রগতি দেখে সন্তুষ্ট হন
  • 📌 ফিরোজ বলেন, ‘কৃষি অফিসের সহায়তা ছাড়া অসময়ে তরমুজ চাষের সাহস পেতাম না। বাজারে উচ্চমূল্য পাওয়ার আশা করছি’
  • 📌 উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো: সোহেল রানা ফসলের সুরক্ষা ও মান বাড়াতে সার্বিক তদারকি নিশ্চিত করছেন
  • 📌 তানিয়া তাবাসসুম বলেন, ‘আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে অসময়ে ফসল চাষ কৃষকদের জন্য লাভজনক’

📰 বিস্তারিত

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার ধানকোড়া ইউনিয়নের বরুণ্ডি গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে ফিরোজ হোসেন তার ২০ শতক জমিতে বাংলা লিংক (হাইব্রিড) জাতের তরমুজ চাষ শুরু করেছেন। এই চাষের বিশেষত্ব হলো মাচা পদ্ধতিতে অসময়ে তরমুজ চাষ করা। ঢাকা অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলা কৃষি অফিসের সার্বিক সহায়তায় এই চাষ সম্ভব হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ তানিয়া তাবাসসুম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। ফিরোজের ক্ষেতের অগ্রগতি দেখে তিনি সন্তুষ্ট হন। ফিরোজ বলেন, ‘কৃষি অফিসের উৎসাহ ও সঠিক দিকনির্দেশনা ছাড়া আমি অসময়ে তরমুজ চাষের সাহস পেতাম না। গাছে যেমন ফলন এসেছে, তাতে বাজারে চড়া দাম পাব বলে আশা করছি।’

মাঠপর্যায়ে নিয়মিত কারিগরি সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো: সোহেল রানা। তিনি জানান, ফসলের সুরক্ষা ও মান বাড়াতে সার্বিক তদারকি চালানো হচ্ছে। তানিয়া তাবাসসুম বলেন, ‘সনাতন পদ্ধতি ছেড়ে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে অসময়ে ফসল ফলানো কৃষকদের জন্য অত্যন্ত লাভজনক। আমাদের মূল লক্ষ্যই হলো নতুন প্রযুক্তি ও লাভজনক ফসল মাঠপর্যায়ে ছড়িয়ে দেয়া। ফিরোজ হোসেনের এই সাফল্য দেখে এলাকার অন্য কৃষকরাও অসময়ে তরমুজসহ অন্য সবজি চাষে উৎসাহিত হবেন।’

"কৃষি অফিসের উৎসাহ ও সঠিক দিকনির্দেশনা না পেলে অসময়ে তরমুজ চাষের সাহস পেতাম না। গাছে যেমন ফলন এসেছে, তাতে বাজারে চড়া দাম পাব বলে আশা করছি"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বরুণ্ডি গ্রাম, ধানকোড়া ইউনিয়ন, সাটুরিয়া উপজেলা, মানিকগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফিরোজ হোসেন, তানিয়া তাবাসসুম, মো: সোহেল রানা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ শতক জমি, ১০ সেপ্টেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖