📌 চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে ৫ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দিয়েছে ক্যান্সারে মারা যাওয়া মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে। মায়ের মৃত্যুর পর পরিবার পুনরায় আবেদন করলে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা অনুমোদন দেন
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ক্যান্সারে মারা যাওয়া মা সন্ধ্যা রাণী ধরের শেষকৃত্যে অংশ নিতে কারাবন্দি চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর প্যারোলে মুক্তির সিদ্ধান্ত নেয়। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল সোয়া ৯টায় হাটহাজারীর শ্রীশ্রী পুণ্ডরীক ধাম আশ্রমে মায়ের মৃত্যু ঘটার পর তার পরিবার পুনরায় আবেদন করলে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা প্যারোলে মুক্তির অনুমোদন দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী, ক্যান্সারে মারা যাওয়া মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে।
- 📌 ১০ সেপ্টেম্বর সকাল সোয়া ৯টায় মারা যান মা সন্ধ্যা রাণী ধর (৭০)।
- 📌 জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা প্যারোলে মুক্তির অনুমোদন করেন।
- 📌 ২০২৪ সালের ২৫ অক্টোবর চট্টগ্রামে সনাতন জাগরণ মঞ্চের সমাবেশে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হয়।
- 📌 ২৫ নভেম্বর ঢাকায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর জামিনের সময় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের মৃত্যুতে তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলাও দায়ের হয়।
📰 বিস্তারিত
চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর ভাই অঞ্জন কুমার ধরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন প্যারোলে মুক্তির সিদ্ধান্ত নেয়। চট্টগ্রামের মা ও শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ক্যান্সার শনাক্ত হওয়ার পর মায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে তার পরিবার তাকে দেখার জন্য প্যারোলে মুক্তি দিতে আবেদন করেছিল। তবে আইনি জটিলতার কারণে তখন মুক্তি দেওয়া সম্ভব হয়নি। মায়ের মৃত্যুর পর পরিবার পুনরায় আবেদন করলে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা প্যারোলে মুক্তির অনুমোদন করেন।
চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পূর্বাশ্রমের নাম ছিল চন্দন কুমার ধর। তিনি ইসকনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পুণ্ডরীক ধাম মন্দিরের অধ্যক্ষ ছিলেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত।
২০২৪ সালের ২৫ অক্টোবর চট্টগ্রামে বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চের সমাবেশের পর জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হয়। ওই মামলায় ২৫ নভেম্বর ঢাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জামিনের সময় চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে সংঘর্ষে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ নিহত হন। ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলাতেও তার নাম আসে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আরো কয়েকটি মামলা রয়েছে, যার কারণে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
"মায়ের মৃত্যুর পর শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার জন্য প্যারোলে মুক্তির আবেদন অনুমোদন করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, হাটহাজারী শ্রীশ্রী পুণ্ডরীক ধাম আশ্রম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী, মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, অঞ্জন কুমার ধর, সাইফুল ইসলাম আলিফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ ঘণ্টা, ৬:০৬ পিএম, ১০ সেপ্টেম্বর, ৭০ বছর, ২৫ অক্টোবর, ২৫ নভেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!