📌 পাবনা জেলায় শিশু কলি হত্যার বিচার দাবিতে রোববার দুপুরে জেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মামলার আসামি মোস্তফা প্রামাণিক ও ইয়াছিন আলীকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের তদন্তে কলিকে ধর্ষণ ও হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে
পাবনা জেলায় শিশু কলি হত্যার বিচার দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। নিহত শিশু কামরুন্নাহার কলিকে ধর্ষণ ও হত্যার সাথে জড়িত আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে এলাকাবাসী, শিক্ষার্থীরা ও সহপাঠীরা অংশ নেন। মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও আদালত চত্বর এলাকায় প্রদক্ষিণ করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০ সেপ্টেম্বর পাবনা জেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয় কলি হত্যার বিচার দাবিতে।
- 📌 মামলার আসামি মোস্তফা প্রামাণিক ও ইয়াছিন আলীকে দুই দিনের রিমান্ড শেষে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
- 📌 পুলিশের তদন্তে জানা যায়, কলিকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় এবং মরদেহ বস্তাবন্দি করে ডোবায় ফেলে রাখা হয়।
- 📌 বিক্ষোভকারীরা দ্রুত তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
- 📌 ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় কলি বাবার সঙ্গে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার সময় নিখোঁজ হন। তার পরিহিত স্যান্ডেল ২০০ গজ দূরে পাওয়া যায়।
- 📌 ১৬ সেপ্টেম্বর বাড়ির পেছনের ডোবা থেকে কলির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
- 📌 আসামিদের গ্রেপ্তারের পর এলাকায় ক্ষোভ বাড়ে; শুক্রবার ও শনিবার মোস্তফা প্রামাণিকের বাড়িতে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুর হয়।
📰 বিস্তারিত
চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী কামরুন্নাহার কলি ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বাবার সঙ্গে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার সময় নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে তার পরিহিত স্যান্ডেল পাওয়া যায়। নিখোঁজের পর ১৫ সেপ্টেম্বর পাবনা শহরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়। এরপর ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে বাড়ির পেছনের একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় কলির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশের তদন্তে জানা যায়, প্রতিবেশী মোস্তফা প্রামাণিক ও তার ভাড়াটিয়া ইয়াছিন আলী কলিকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ বস্তাবন্দি করে ডোবায় ফেলে রাখেন। আসামিদের গ্রেপ্তারের পর থেকেই এলাকায় ক্ষোভ বাড়তে থাকে। শুক্রবার ও শনিবার বিক্ষুব্ধ জনতা মোস্তফা প্রামাণিকের বাড়িতে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। লুট করে নিয়ে যায় আসবাবপত্রসহ প্রয়োজনীয় জিনিষপত্র। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পাবনা জেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও আদালত চত্বর এলাকায় প্রদক্ষিণ করে। বিক্ষোভকারীরা দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান। তারা বলেন, কলির মতো একটি শিশুকে যারা নির্মমভাবে হত্যা করেছে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া যাবে না।
"কলিকে ধর্ষণের পর পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাবনা জেলা পরিষদ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, আদালত চত্বর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কামরুন্নাহার কলি (শিশু), মোস্তফা প্রামাণিক, ইয়াছিন আলী, বিক্ষোভকারীরা, পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ সেপ্টেম্বর, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০০ গজ, ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৬ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!