📌 নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে যমজ দুই ভাইসহ তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। একজনের বাঁচে জীবন। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার করে তাদের মরদেহ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীর তীব্র স্রোতে গোসল করতে গিয়ে যমজ দুই ভাইসহ তিন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। একজনের বাঁচে জীবন। আজ রোববার বিকেলে পিরোজপুর ইউনিয়নের ভাটিবন্দর এলাকায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেঘনা নদীর তীব্র স্রোতে ডুবে নিহত: যমজ দুই ভাই আরিফিন (১৫) ও আশিকিন (১৫) এবং আবির (১৪)
- 📌 বাঁচে জীবন: আদিয়ান ফারিজ (১৫), যিনি একমাত্র সাঁতার কাটে তীরে পৌঁছেন
- 📌 উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়: নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল
- 📌 নিশ্চিত করে উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন: ‘তিন শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে’
- 📌 ঘটনাস্থল: মোগরাপাড়া ইউনিয়নের মজলিস এলাকা, মেঘনা নদীর ভাটিবন্দর
📰 বিস্তারিত
আজ সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে চার শিক্ষার্থী বাড়ি থেকে বের হয়। তারা মেঘনা নদীর ভাটিবন্দর এলাকায় গিয়ে গোসল করতে নামে। বেলা পৌনে ১টার দিকে তারা একসঙ্গে নদীতে ডুব দেন। অল্প সময়ের মধ্যে নদীর তীব্র স্রোতের কবলে পড়ে তিনজন পানির নিচে তলিয়ে যায়। চতুর্থজন আদিয়ান ফারিজ সাঁতরে তীরে উঠে প্রাণে বাঁচেন। আদিয়ানের কান্নাকাটি ও চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা বিষয়টি ফায়ার সার্ভিস ও নৌ পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
দীর্ঘ তল্লাশির পর বিকেলে তিন শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিলেন মোগরাপাড়া এইচজিজিএস স্মৃতি সরকারি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির যমজ ভাই আরিফিন ও আশিকিন এবং অষ্টম শ্রেণির আবির। তাদের বাড়ি ছিল একই ইউনিয়নের মজলিস এলাকায়। আরিফিন ও আশিকিনের বাবা মো. ফারুক এবং আবিরের বাবা আব্দুল আলীম।
উদ্ধার অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই আমাদের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। নদী থেকে তিন শিক্ষার্থীরই মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।’
“খবর পাওয়ার পরপরই আমাদের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। নদী থেকে তিন শিক্ষার্থীরই মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোগরাপাড়া ইউনিয়ন, সোনারগাঁ উপজেলা, নারায়ণগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন, আরিফিন (১৫), আশিকিন (১৫), আবির (১৪), আদিয়ান ফারিজ (১৫)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন নিহত শিক্ষার্থী, ১ জন বেঁচে গেছেন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!