📌 ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ঘোষণা করেছেন, দেশের স্কুলে নিকাব ও বোরকা নিষিদ্ধ করা হবে এবং প্রত্যেক শ্রেণিতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা সীমিত করা হবে। তিনি বলেছেন, ভাষা বাধা ও সাংস্কৃতিক একীভূতকরণের জন্য অভিভাবকদের ইতালীয় ভাষা শেখার ব্যবস্থা নেওয়া হবে
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ঘোষণা করেছেন, দেশের স্কুলে মুখ ঢাকা পোশাক নিষিদ্ধ করা হবে এবং প্রত্যেক শ্রেণিতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা সীমিত করা হবে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ‘ব্রাদার্স অব ইতালি’র যুব শাখার অনুষ্ঠানে তিনি এ উদ্যোগের কথা জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইতালির স্কুলে নিকাব ও বোরকা নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি
- 📌 প্রত্যেক শ্রেণিতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ সংখ্যা নির্ধারণের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে
- 📌 বিদেশি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের ইতালীয় ভাষা শেখার ব্যবস্থা নেওয়া হবে
- 📌 প্রতি ১০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ১২ জন বিদেশি নাগরিক ইতালির স্কুলে অধ্যয়ন করছেন
- 📌 ভাষা বাধা না থাকলে বিদেশি শিক্ষার্থীরা সহজে একীভূত হতে পারে, কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ হলে তা অবহেলায় পরিণত হয়
📰 বিস্তারিত
মেলোনি বলেন, বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য প্রত্যেক শ্রেণিতে সর্বোচ্চ কতজন থাকতে পারবেন, সেই বিষয়ে শিগগিরই মন্ত্রিসভায় প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে। তিনি আরও জানান, বিদেশি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের ইতালীয় ভাষা শেখার ব্যবস্থা করার কথাও প্রস্তাবে থাকবে। এছাড়াও স্কুলে মুখ ঢাকা পোশাক নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের স্কুলে মুখ খোলা রাখতে হবে এবং কোনো প্রকৃত বা কথিত ঐতিহ্যের দোহাই দিয়ে তরুণীদের নিজের মুখ ঢেকে রাখতে বাধ্য করা যাবে না।
মেলোনি উল্লেখ করেন, যদি কোনো শ্রেণিতে মাত্র একজন শিক্ষার্থী ইতালীয় ভাষা বুঝতে না পারে, তাহলে সহপাঠী ও শিক্ষকদের সহায়তায় তার ভাষা শেখা এবং স্কুলের পরিবেশের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু ভাষা না জানা শিক্ষার্থীর সংখ্যা যদি অনেক বেড়ে যায়, এমনকি তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে পড়ে, তাহলে সেটিকে আর একীভূতকরণ বলা যায় না; বরং তা অবহেলায় পরিণত হয়।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফন্ডাজিওনে আইএসএমইউর তথ্য অনুযায়ী, ইতালির স্কুলে ভর্তি শিক্ষার্থীদের ১১.৬ শতাংশ ইতালীয় নাগরিক নয়। অর্থাৎ প্রতি ১০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ১২ জন বিদেশি নাগরিক।
"কোনো শ্রেণিতে যদি মাত্র একজন শিক্ষার্থী ইতালীয় ভাষা বুঝতে না পারে, তাহলে সহপাঠী ও শিক্ষকদের সহায়তায় তার ভাষা শেখা এবং স্কুলের পরিবেশের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু ভাষা না জানা শিক্ষার্থীর সংখ্যা যদি অনেক বেড়ে যায়, এমনকি তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে পড়ে, তাহলে সেটিকে আর একীভূতকরণ বলা যায় না; বরং তা অবহেলায় পরিণত হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইতালি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১.৬ শতাংশ বিদেশি শিক্ষার্থী, প্রতি ১০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১২ জন বিদেশি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!