📌 খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. আজমল হোসেনকে মেসে ভাত খাওয়ার অভিযোগে মারধর করে হত্যা করা হয়। বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করে, পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি আসামিদের
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. আজমল হোসেনকে মেসে অন্য শিক্ষার্থীর ভাত খাওয়ার অভিযোগে মারধর করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় বিচারের দাবিতে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদি চত্বরে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভকারীরা দাবি করেছেন, জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে এবং মব জাস্টিসের পক্ষে নন বলে মন্তব্য করেছেন তারা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. আজমল হোসেনকে মেসে অন্য শিক্ষার্থীর ভাত খেয়ে ফেলার অভিযোগে মারধর করে হত্যা করা হয়।
- 📌 বিক্ষোভকারীরা দাবি করেছেন, মামলায় আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে এবং মব জাস্টিসের পক্ষে নন।
- 📌 নিহতের বাবা শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) হরিণটানা থানায় চারজন আসামির নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। এতে অজ্ঞাত আরও ২০ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়।
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক ড. মো. সালাউদ্দিন জানান, এই হত্যাকাণ্ডে বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের জড়িত থাকার খবর পাওয়া গেছে।
- 📌 পুলিশ প্রশাসন জানায়, বেশ কয়েকজন অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
📰 বিস্তারিত
খুলনার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মো. আজমল হোসেনকে মেসে অন্য শিক্ষার্থীর ভাত খেয়ে ফেলার অভিযোগে মারধর করা হয়। শুক্রবার মেসের সদস্যরা আজমলকে ভবনের ছাদে নিয়ে মারধর করেন। পরে সেখান থেকে নিচে পড়ে তিনি গুরুতর আহত হন। আজমলের হাত-পা সহ শরীরের একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায় এবং কাটা ছিল তার মাথার চুলও। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক ড. মো. সালাউদ্দিন বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততার খবর এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পুলিশ প্রশাসনকে সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। এ বিষয়ে কেএমপির উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মো. রেজাউর রহমান জানান, বেশ কয়েকজন অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
নিহতের বাবা কুতুব উদ্দিন শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে হরিণটানা থানায় মামলা করেন। এতে চারজন আসামির নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাত আরও ২০ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়। তবে এখনও পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
"এ ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মব জাস্টিসের পক্ষে নন বলেও মন্তব্য করেছেন তারা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাদি চত্বর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আজমল হোসেন (নিহত), ড. মো. সালাউদ্দিন (বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালক), মো. রেজাউর রহমান (কেএমপি উপ-কমিশনার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ সেপ্টেম্বর (বিক্ষোভ), ১৯ সেপ্টেম্বর (মামলা), ২০-৩০ জন (অজ্ঞাত আসামি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!