📌 নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে পঞ্চম শ্রেণির একটি শিক্ষার্থীকে ঝাড়ফুঁক দিতে নিয়ে যাওয়া সাবেক জামায়াত নেতা আলমগীর হোসেন ফরাজীকে বলাৎকারের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। শিশুকে ধর্ষণ করা হয় ওষুধের দোকানের পেছনের কক্ষে
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় ঝাড়ফুঁক দিতে নিয়ে যাওয়া একটি পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করে সাবেক জামায়াত নেতা আলমগীর হোসেন ফরাজীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার রাত সোয়া একটার দিকে ঘটনাস্থল থেকে তাকে পুলিশ গ্রেফতার করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪৫ বছর বয়সী আলমগীর হোসেন ফরাজীকে ঝাড়ফুঁক দিতে নিয়ে যাওয়া শিশুকে ধর্ষণ করে গ্রেফতার করা হয়েছে।
- 📌 ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় মাথাব্যথা হওয়ায় শিশুটি আলমগীরের ওষুধের দোকানে যায়।
- 📌 ওষুধের দোকানের পেছনের কক্ষে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয় এবং ঘটনার বিস্তারিত জানানোর হুমকি দেওয়া হয়।
- 📌 শিশুটির বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন এবং আলমগীরকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
- 📌 ২০২২ সাল পর্যন্ত আলমগীর জামায়াতের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলীয় কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয়।
📰 বিস্তারিত
রোববার দুপুরে বেগমগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শামসুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেফতারকৃত আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) শরীফপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ফরাজী বাড়ির মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি একসময় ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মামলা ও ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা যায়, শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র। গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় মাথাব্যথা হওয়ায় সে বাবুনগর এলাকার হাসানহাট বাজারে আলমগীরের ওষুধের দোকানে যায়। আলমগীর ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করেন। শিশুটির বাবা মাথাব্যথা ঝাড়ফুঁক করলে ভালো হয়ে যাবে বলে আলমগীরকে বিশ্বাস করেন। আলমগীর শিশুটিকে দোকানের পেছনের একটি কক্ষে নিয়ে যান, যেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর শিশুটি শরীরে ব্যথা অনুভব করলে পরিবারের সদস্যরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন।
শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত জামায়াতের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলীয় কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয়। তিনি দাবি করেন, ঝাড়ফুঁকের কাজ করতে গিয়ে রতনের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয় এবং একটি চক্র টাকা দাবি করে না পাওয়ায় ভিকটিমকে দিয়ে তার বিরুদ্ধে কথা বলানো হয়েছে। পরে পরিবারকে উসকানি দিয়ে মামলা করানো হয়েছে বলে আলমগীর দাবি করেছেন।
"এ ঘটনায় শিশুটির বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। ওই মামলায় আলমগীরকে গ্রেফতার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বেগমগঞ্জ উপজেলা, নোয়াখালী, শরীফপুর ইউনিয়ন, পশ্চিম খানপুর গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫), শিশু ভুক্তভোগী, মো. শামসুজ্জামান (ওসি), মোজাম্মেল হোসেন (জামায়াত সেক্রেটারি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ বছর (আলমগীরের বয়স), ৬ নম্বর ওয়ার্ড, ৪ নম্বর ওয়ার্ড, ১৩ সেপ্টেম্বর, ৭ টা সন্ধ্যা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!